চলন্ত মোটরসাইকেলে ছোড়া ইটের আঘাত, ১৩ দিন পর মারা গেলেন রাফি
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় চলন্ত মোটরসাইকেলের চালক সাজিদ চৌধুরী রাফির (২১) মাথায় ইট নিক্ষেপের ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। ১৩ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে তিনি না ফেরার দেশে চলে গেলেন।
সোমবার (২২ জুন) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান বলে নিশ্চিত করেছেন কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন।
সাজ্জাদ হোসেন জানান, মোটরসাইকেলের চালক সাজিদ চৌধুরী রাফি সোমবার (২২ জুন) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন- মূল অভিযুক্ত মো. পারভেজ, ফয়সাল ওরফে কালু এবং আনোয়ার হোসেন বাবু। তারা কারাগারে আছেন।
ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, সাজিদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কাফরুল থানাকে জানানো হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে ১০ জুন রাতে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, সাজিদ চলন্ত মোটরসাইকেলে ছিলেন। এ অবস্থায় তাঁকে লক্ষ্য করে ইট নিক্ষেপ করা হয়। ইটের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। তাঁকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ ঘটনায় জড়িত হিসেবে স্থানীয় কয়েক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তারা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তাঁদের বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় একাধিক মামলা আছে বলে তারা জানতে পেরেছেন।
স্বজনদের ধারণা, সম্পত্তি–সংক্রান্ত বিরোধ থেকে এ হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে বলে তারা সন্দেহ করছেন। ঘটনার কয়েক দিন আগে এলাকার কয়েকজন যুবক সাজিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা শুরু করেছিলেন। এসব বিষয় তদন্তের আওতায় আনলে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটিত হবে বলে তারা মনে করছেন।
সাজিদ রাজধানীর কাফরুলের ইব্রাহিমপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবার নাম শামসুল চৌধুরী। মা তানিয়া চৌধুরী। সাজিদ তার বাবা–মায়ের একমাত্র সন্তান।
পুলিশ বলছে, পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছিল।
মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল জানান, ব্যবসায়িক বিরোধের জের ধরে সাজিদের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল।
