হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার সেলিম প্রধান
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ৫ আগস্ট গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন ভুক্তভোগী মো. তৌহিদ মিয়া। এই ঘটনায় রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় আলোচিত সেলিম প্রধানকে সন্দিগ্ধকে আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করে শুনানি করেন। অপরদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করেন। এ সময় উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ৫ আগস্ট গুলশান থানাধীন নতুন বাজার বাঁশতলা এলাকায় আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন ভিক্টটিম মো. তৌহিদ মিয়া। বাদী আদালতে একটি মামলা করেন। মামলায় এজাহারনামীয় ৮৮ জন এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনে বলেন, ‘আসামি সেলিম প্রধান বিগত সরকারের সক্রিয় নেতা ও অন্যতম অর্থ যোগানদাতা। ছাত্র আন্দোলনকে প্রতিহত করতে গুলশান ও ভাটারা এলাকায় শিক্ষার্থীদের মারধর ও সুপরিকল্পিতভাবে মামলার বাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় তার সরাসরি উসকানি এবং আর্থিক সহায়তার তথ্য পাওয়া গেছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।’
প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটার দিকে গুলশানের বারিধারার নেক্সাস ক্যাফে প্লেস নামে একটি রেস্তোরাঁ থেকে সেলিম প্রধানসহ ৯ জনকে আটক করা হয়। সেখান থেকে ৬ দশমিক ৭ কেজি সীসা উদ্ধারের দাবিও জানায় পুলিশ। পরদিন গুলশান থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।এরপর থেকে একাধিক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
