সিংগাইর পৌরসভা পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে বিএনপি নেতা জয়
মাসুম বাদশাহ, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:১২ পিএম
ছবি: কাগজ প্রতিবেদক
মানিকগঞ্জের সিংগাইর পৌরসভার রাজনীতিতে বিএনপির জনপ্রিয় নেতা ও সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ভূঁইয়া জয় এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং উন্নয়নধর্মী কর্মকাণ্ড তাঁকে জনগণের কাছে এক আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে। তাই আগামীতে আধুনিক পৌরসভা গড়তে মাঠে নেমেছেন তিনি।
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সম্পৃক্ত খোরশেদ আলম ভূঁইয়া জয় ১৯৯০-এর দশকে ছাত্রদল ও বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন। তৃণমূলের সংগঠন গঠন, নেতৃত্বের দক্ষতা এবং জনগণের পাশে থেকে কাজ করার মানসিকতার কারণে তিনি দ্রুতই সিংগাইরের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা পান। পরে তিনি পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সাবেক মেয়র হিসেবে তাঁর মেয়াদকালে সিংগাইর পৌরসভায় সড়ক সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পানি সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা, আলোকসজ্জা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়েছে। এসব উদ্যোগে এলাকাবাসীর জীবনমানের উন্নতি ঘটে, যা আজও মানুষের মনে প্রশংসা কুড়াচ্ছে।
সিংগাইর পৌরবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে , জয় রাজনীতি করেন মানুষের সেবার জন্য, ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা এবং সহজ-সরল জীবনযাপন তাঁকে জনপ্রিয় করেছে।
আসন্ন সিংগাইর পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ভূঁইয়া জয় বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন। উন্নয়ন, সুশাসন ও নাগরিক সেবা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি ইতিমধ্যে প্রচারণা শুরু করেছেন। তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকারের মূল বিষয়গুলো হলো— অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পানি সংকট নিরসন, সুসংগঠিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসেবার মানোন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
ভোরের কাগজের বিশেষ সাক্ষাৎকারে অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ভূইয়া জয় বলেন, “আমি রাজনীতি করি মানুষের সেবার জন্য, ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য নয়। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত সাধারণ মানুষের কল্যাণে উৎসর্গ করেছি। সামনের নির্বাচনে সিংগাইরের উন্নয়নই হবে আমার মূল লক্ষ্য।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপির ধারাবাহিক রাজনীতিতে অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ভূঁইয়া জয়ের প্রার্থিতা পৌরসভার ভোটারদের মধ্যে নতুন আশা জাগিয়েছে। উন্নয়ন, সুশাসন ও সামাজিক সম্প্রীতির ধারায় তিনি আবারও পৌরবাসীর আস্থা অর্জন করতে পারবেন—এমনটাই প্রত্যাশা পৌরবাসীর ।
