×

অর্থনীতি

ঈদকে ঘিরে মসলার বাজারে ঊর্ধ্বগতি

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ০৯:৫০ পিএম

ঈদকে ঘিরে মসলার বাজারে ঊর্ধ্বগতি

ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজধানীর মসলার বাজারে আবারও দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা দিয়েছে। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচামরিচ, এলাচ, জিরাসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় মসলার দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বাজার তদারকির দুর্বলতা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতাকে এ পরিস্থিতির অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর নেতারা।

মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। দেশি রসুনের দাম ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং আমদানি করা চীনা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। এছাড়া আদা ২০০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগেও এসব পণ্যের দাম তুলনামূলক কম ছিল।

এদিকে লবণের দামও বেড়েছে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজিতে প্রায় ৫ টাকা এবং ২৫ কেজির বস্তায় প্রায় ১০০ টাকা পর্যন্ত দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

মসলাজাতীয় অন্যান্য পণ্যের মধ্যেও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। কয়েকদিনের ব্যবধানে এলাচের দাম কেজিতে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বেড়ে এখন ৪ হাজার ৬০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিসমিসের দাম বেড়ে কেজিতে ৮৫০ টাকায় পৌঁছেছে। এছাড়া তেজপাতা ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, ধনিয়ার গুঁড়া ২০০ থেকে ২৮০ টাকা, হলুদ গুঁড়া ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং শুকনো মরিচের গুঁড়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বর্তমানে দারুচিনি প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা, জিরা ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, জিরার গুঁড়া প্রায় ৮০০ টাকা এবং লবঙ্গ ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গোলমরিচ ১ হাজার ৩৫০ টাকা, কাঠবাদাম ১ হাজার ৪৩০ টাকা, চীনা বাদাম ২০০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর মানিকনগর বাজারের ব্যবসায়ী আবু সাইদ বলেন, পাইকারি বাজারে আদা, পেঁয়াজ ও রসুনসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও প্রভাব পড়েছে। বেশি দামে কিনতে হওয়ায় খুচরা পর্যায়েও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে ঈদের পর কিছু পণ্যের দাম কমতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অন্যদিকে বাংলাদেশ পাইকারি গরম মসলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী এনায়েত উল্লাহ মনে করেন, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বাজারে যে ধরনের চাপ তৈরি হয়, সেই তুলনায় এবার দাম তুলনামূলক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি বলেন, বৈধ পথে আমদানিকারকরা খুব বেশি লাভ করতে পারছেন না, বরং অবৈধ পথে মসলা আমদানি করা কিছু ব্যবসায়ী বেশি সুবিধা নিচ্ছেন।

ক্যাবের সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, প্রতিবছর ঈদুল আজহার আগে মসলার বাজারে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি হয়। তবে এবার অনেক ব্যবসায়ী আগেভাগেই মসলা মজুত করে রাখায় বাজারে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়নি। ফলে মূল্যবৃদ্ধি হলেও তা তুলনামূলক সীমিত পর্যায়ে রয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নজরদারিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান চান ফলকার টুর্ক

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নজরদারিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান চান ফলকার টুর্ক

অবৈধ অটোরিকশার চার্জিং পয়েন্টের সঙ্গে জড়িত কারা, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধ অটোরিকশার চার্জিং পয়েন্টের সঙ্গে জড়িত কারা, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরোনো পাতায় নতুন গল্প: সোনাদীঘির অর্ধশতকের পাঠশালা

পুরোনো পাতায় নতুন গল্প: সোনাদীঘির অর্ধশতকের পাঠশালা

পুলিশ সদস্যের বাসায় মিলল ৯০ হাজার পিস ইয়াবা

পুলিশ সদস্যের বাসায় মিলল ৯০ হাজার পিস ইয়াবা

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App