বুধবারের মধ্যে স্বাভাবিক হতে পারে গ্যাস সরবরাহ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩২ এএম
ছবি : সংগৃহীত
দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকটের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। মহেশখালীর সামিট ও অ্যাক্সিলারেট এনার্জির দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে আবারও গ্যাস সরবরাহ চালু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আগামী ১৯ আগস্টের মধ্যে দুই টার্মিনাল থেকেই পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোর ৪টা থেকে সামিট এলএনজি টার্মিনাল গ্যাস সরবরাহ শুরু করে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে এলএনজিবাহী একটি জাহাজ সিঙ্গাপুর বন্দরে ফিরে যাওয়ায় গত ১০ আগস্ট থেকে এই টার্মিনালটির সরবরাহ দৈনিক প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে গিয়েছিল।
আরও পড়ুন: বিএনপির মহাসচিব পদে আলোচনায় যারা
পরে নতুন একটি এলএনজিবাহী জাহাজ টার্মিনালে পৌঁছালে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। বর্তমানে সামিট থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যাচ্ছে। ধাপে ধাপে এ সরবরাহ স্বাভাবিক সক্ষমতা অনুযায়ী ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত করার আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ থাকা অ্যাক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকেও আংশিক মেরামতের পর সরবরাহ চালু হয়েছে। বর্তমানে এই টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ১৯ আগস্টের মধ্যে অ্যাক্সিলারেট এনার্জির মেরামতকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। কাজ শেষ হলে এই টার্মিনাল থেকে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ বেড়ে প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছাতে পারে।
স্বাভাবিক সময়ে সামিট এলএনজি টার্মিনালের দৈনিক সরবরাহ সক্ষমতা প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। অন্যদিকে অ্যাক্সিলারেট এনার্জির সক্ষমতা প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। অর্থাৎ দুই টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক মোট প্রায় ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে।
আরও পড়ুন: মিরাজের ঘূর্ণিতে অজিদের ধস, বাংলাদেশের লক্ষ্য ৫৭
বর্তমানে দুই টার্মিনাল মিলিয়ে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে। এর মধ্যে সামিট থেকে ৪৬০ এবং অ্যাক্সিলারেট এনার্জি থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট পাওয়া যাচ্ছে।
কর্তৃপক্ষের আশা, ১৯ আগস্টের মধ্যে দুই টার্মিনালের সরবরাহ পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ কমবে। এতে শিল্প, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য খাতে চলমান গ্যাস সংকটও অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে।
