×

অর্থনীতি

পুরোনো ভূমি অধিগ্রহণ মামলার অব্যয়িত অর্থ ৩০ দিনের মধ্যে জমার নির্দেশ

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম

পুরোনো ভূমি অধিগ্রহণ মামলার অব্যয়িত অর্থ ৩০ দিনের মধ্যে জমার নির্দেশ

ফাইল ছবি

পুরোনো ভূমি অধিগ্রহণ মামলার আনুষঙ্গিক খাতে জমা থাকা অব্যবহৃত ও অব্যয়িত অর্থ ৩০ দিনের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। ভূমি অধিগ্রহণের আনুষঙ্গিক খাতের অর্থ ব্যয়, হিসাব সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

‘ভূমি অধিগ্রহণ আনুষঙ্গিক (ল্যান্ড অ্যাকুইজিশন কনটিনজেন্সি-এলএসি) খাতের অর্থ ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা, ২০২৬’ গত ৩১ আগস্ট বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশ করা হয়।

নির্দেশিকা অনুযায়ী, যেসব ভূমি অধিগ্রহণ মামলার নথি রেকর্ডরুমে সংরক্ষিত এবং অ্যাওয়ার্ড অ্যাডজাস্টমেন্ট হিসাবরক্ষণ অফিসের নিরীক্ষা শেষ হওয়ার পর তিন বছর পেরিয়ে গেছে, সেসব মামলার এলএসি খাতে থাকা সব অব্যবহৃত ও অব্যয়িত অর্থ সরকারি হিসাবে জমা দিতে হবে। নির্দেশিকা জারির ৩০ দিনের মধ্যে এ অর্থ প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাবের সংযুক্ত তহবিলে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নতুন নিয়মে কোনো ভূমি অধিগ্রহণ মামলার কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর এলএসি খাতের অব্যয়িত অর্থ সর্বোচ্চ তিন বছর সংশ্লিষ্ট হিসাবে রাখা যাবে। জমির দখল হস্তান্তর ও অ্যাওয়ার্ড অ্যাডজাস্টমেন্টের নিরীক্ষা শেষ হওয়ার পর তিন বছর অতিবাহিত হলে উদ্বৃত্ত অর্থ ভূমি মন্ত্রণালয়কে অবহিত করে সরকারি হিসাবে জমা দিতে হবে।

আরও পড়ুন: নতুন নিয়মে জমির নামজারি, লাগবে যেসব কাগজপত্র

নির্দেশিকায় এলএসি খাতের অর্থ ক্ষতিপূরণের অর্থ থেকে পৃথকভাবে পার্সোনাল লেজার (পিএল) হিসাবে জমা এবং আলাদা রেজিস্টার ও ক্যাশ বইয়ে হিসাব সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। এ অর্থ সরকারি রাজস্ব নয়; ভূমি অধিগ্রহণ ও প্রকল্প বাস্তবায়নের আনুষঙ্গিক ব্যয়ে ব্যবহার করা হবে।

নতুন হারে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার ক্ষেত্রে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত প্রাক্কলিত অর্থের ওপর ৩ শতাংশ এবং এর বেশি হলে ২ শতাংশ এলএসি অর্থ আদায় করা হবে। বেসরকারি সংস্থা বা ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রস্তাবের ক্ষেত্রে সব অঙ্কের ওপর ১০ শতাংশ হারে এ অর্থ আদায় হবে।

একটি ভূমি অধিগ্রহণ মামলার জন্য জমা হওয়া এলএসি অর্থ সাধারণত অন্য মামলায় ব্যয় করা যাবে না। তবে জরুরি প্রয়োজনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অর্থ বিভাগের পূর্বানুমোদন নিয়ে অন্য সংশ্লিষ্ট মামলায় সমন্বয় করা যাবে।

জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের প্রতি বছর এলএসি খাতের ব্যয় ও কেসভিত্তিক অব্যয়িত অর্থের হিসাব বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। প্রচলিত আর্থিক বিধি অনুযায়ী এ অর্থ ব্যয় হবে এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের হিসাব নিয়ন্ত্রক (রাজস্ব) কার্যালয় তা নিরীক্ষা করবে।

নতুন নির্দেশিকা কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এলএসি খাতের অর্থ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আগে জারি করা সব নির্দেশনা, পরিপত্র ও অফিস আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।

সূত্র: বাসস।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশি জাহাজ চলাচলে বাধা নেই

হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশি জাহাজ চলাচলে বাধা নেই

দাম বাড়ল সয়াবিন তেলের

দাম বাড়ল সয়াবিন তেলের

নেপালের দুর্যোগে বাংলাদেশের সহায়তা ঘোষণা

নেপালের দুর্যোগে বাংলাদেশের সহায়তা ঘোষণা

খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা

খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App