কাল থেকে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা,মানতে হবে যেসব নির্দেশনা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৩ এএম
সংগৃহীত
সারাদেশে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে আগামীকাল (০২ জুলাই)। পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ৮ আগস্ট ২০২৬। এরই মধ্যে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে। প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় পর্যন্ত পরীক্ষা বিরতিহীনভাবে চলবে। এমসিকিউ ও সিকিউ উভয় অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।
নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হবে এবং চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত। সকাল ১০টার পরীক্ষা ক্ষেত্রে সাড়ে ৯টায় উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট দেওয়া হবে। ১০টায় বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র এবং সাড়ে ১০টায় সৃজনশীল প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে। (২৫ নম্বরের এমসিকিউ হলে ১০টা ২৫ মিনিটে ওএমআর সংগ্রহ করা হবে।)
আবার দ্বিতীয় শিফটে পরীক্ষা চলবে বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বেলা ২টার পরীক্ষার ক্ষেত্রে দুপুর দেড়টায় উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট দেওয়া হবে। ২টায় বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র এবং আড়াইটায় সৃজনশীল প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে। (২৫ নম্বরের এমসিকিউ হলে ২টা ২৫ মিনিটে ওএমআর সংগ্রহ করা হবে।)
ব্যবহারিক বিষয়সংবলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষায় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষায় ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট।
পরীক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। এগুলো হলো—
১. পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।
২. প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
৩. ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।
৪. প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
৫. পরীক্ষার্থীরা তাঁদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের নিকট হতে অন্তত সাত দিন আগে সংগ্রহ করবেন।
৬. প্রত্যেক পরীক্ষার্থী সরবরাহকৃত উত্তরপত্রে তাঁর পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি ওএমআর ফরমে যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবেন। কোনো অবস্থাতেই মার্জিনের মধ্যে লেখা কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনে উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।
৭. পরীক্ষার্থীকে তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পৃথকভাবে পাস করতে হবে।
৮. প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্রে উল্লেখিত বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। কোনো অবস্থাতেই অন্য বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
৯. পরীক্ষার্থীরা কাঁটাযুক্ত (নন-প্রোগ্রামেবল) হাতঘড়ি ব্যবহার করতে পারবেন।
১০. শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর (নন-প্রোগ্রামেবল) ব্যবহার করতে পারবেন। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।
১১. পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না এবং কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে পারবেন না।
এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় ১৯ হাজার ৪৭২ জন বেশি। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন। মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অংশ নিচ্ছেন ২ লাখ ৮৬৯ জন। বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হবে এবারের পরীক্ষা।
