‘অন্তর্বর্তী সরকার কয়েকজন তরুণকে ক্ষমতায়ন করলেও বৃহত্তর অংশকে বাইরে রেখেছে’
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, জুলাই আন্দোলনে নারী ও তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও পরে তাঁদের যথাযথ স্বীকৃতি ও অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত হয়নি।অন্তর্বর্তী সরকার কয়েকজন তরুণকে ক্ষমতায়ন করলেও বৃহত্তর অংশকে বাইরে রেখেছে।
মঙ্গলবার সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সহযোগিতায় “অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্ব: রাজনীতিতে নারী ও তরুণ” শীর্ষক গোলটেবিল সংলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সংলাপে জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষাবিদ, অধিকারকর্মী, আইনজীবী, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তাঁরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণে বিদ্যমান বাধা-বিপত্তি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র গড়ে তোলার সম্ভাব্য পথ বিষয়ে আলোচনা করেন।
আরও পড়ুন: মহাসড়কে ট্রাফিক আইন ভাঙলেই অটো জরিমানা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নুরুল হক আরও বলেন, ঐতিহাসিক পরিবর্তনের একটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল, কিন্তু তা যথাযথভাবে কাজে লাগানো যায়নি। তরুণরা ক্ষমতার অংশ না হয়ে শক্তিশালী চাপ-সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে কাজ করলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। পার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ মানুষের অধিকার ও আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কর্মকাণ্ডকে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রবাসী কর্মসংস্থানে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে নতুন দেশ ও খাত খোঁজা, শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থান এবং জাপানসহ বিভিন্ন দেশে ঋণসহায়তা সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে বলেও তিনি জানান। একই সঙ্গে সাইবার আইন সংস্কার এবং নারীদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর বক্তব্য ও উগ্র রাজনৈতিক আচরণের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিজিএস-এর প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান। অনুষ্ঠানের শুরুতে তিনি বলেন, প্রকৃত অন্তর্ভুক্তির জন্য শুধু অংশগ্রহণ নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সম্পদ ব্যবহারে কার্যকর ক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনের সময় সামনে রাখা হলেও ক্ষমতার ক্ষেত্রে নারীদের যথাযথ জায়গা দেওয়া হয় না।
সংলাপে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর গভারনেন্স স্টাডিজ (সিজিএস)-এর নির্বাহী পরিচালক পারভেজ করিম আব্বাসী,
গণফোরাম-এর সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, জাতীয় পার্টি-এর মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী প্রমুখ।
