মোদির বাসভবনের সামনে রাহুল-প্রিয়াঙ্কার বিক্ষোভ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬, ০৬:১১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ভারতে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলন ও ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সিজেপির নেতৃত্বে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার পরদিন কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা।
এর আগে দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের দমন-পীড়নের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, সোমবার রাজধানীতে যা ঘটেছে, তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত।
রাহুলের ভাষায়, “প্রধানমন্ত্রী কেন নীরব? পুলিশের হাতে নির্যাতিত শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি এখনো ক্ষমা চাননি। তাঁর উচিত এ বিষয়ে কথা বলা এবং এই পরিস্থিতির অবসান ঘটানো।”
এনডিটিভির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী দিল্লির আরএমএল হাসপাতালে গিয়ে আহত বিক্ষোভকারীদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
এদিকে সংসদের অধিবেশন শুরুর আগে মঙ্গলবার সকালে লোকসভার স্পিকার ওম বিরলার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাহুল গান্ধী। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ এবং পরীক্ষা-সংক্রান্ত সংকট নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনার দাবি জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল লেখেন, “আজ বিরোধী দলের সাংসদদের সঙ্গে লোকসভার স্পিকারের সাক্ষাৎ করেছি। আমাদের দাবি স্পষ্ট শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা এবং পরীক্ষা-সংকট মোকাবিলায় সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সংসদে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা হতে হবে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ন্যায্য প্রশ্ন তোলার কারণেই শিক্ষার্থীরা পুলিশের হামলার শিকার হয়েছেন।
রাহুল গান্ধী বলেন, “ভারতের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে যদি সংসদে আলোচনা না হয়, তাহলে সেই সংসদের উদ্দেশ্য কী?”
বিরোধী দল শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, এই ইস্যু কোনোভাবেই চাপা পড়তে দেওয়া হবে না। সংসদ ও রাজপথ উভয় জায়গাতেই শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরতে কংগ্রেস আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
