যে গ্রামের বাসিন্দারা কমলা হ্যারিসকে মনে করেন নিজেদের একজন
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৪, ০৩:০২ পিএম
যে গ্রাম কমলা হ্যারিসকে মনে করে নিজেদের একজন। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের চেন্নাই থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরের গ্রাম থুলাসেনধ্রাপুরাম। এই গ্রামের ছিল কমলা হ্যারিসের নানাবাড়ি। খবর বিবিসির।
এবার কমলা হ্যারিসের ছবিযুক্ত ব্যানার দেখা গেছে গ্রামটির বিভিন্ন স্থানে। তার জন্য এই গ্রামে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ প্রার্থনার। বিতরণ করা হয় মিষ্টি।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় প্রার্থী হিসেবে নাম উঠে আসে কমলা হ্যারিসের। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কমলা হ্যারিসের নাম উঠে আসায় এবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন।
স্থানীয় অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা কৃষ্ণমূর্তি বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশটির এমন একটি অবস্থানে পৌঁছা মোটেই চাট্টিখানি কথা নয়। তার জন্য আমরা গর্বিত। একসময় ভারতীয়দের শাসন করেছে বিদেশিরা। এখন ভারতীয়রা ক্ষমতাধর দেশগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে এক ধরনের গর্বও কাজ করছে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে। তারা কমলা হ্যারিসকে নিজেদের একজন ভাবছেন।
স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য অরুলমোঝি সুধাকর বলেন, সবাই তাকে চেনে, এমনকি শিশুরাও। আমার বোন, আমার মা এই বলে পরিচয় দিচ্ছেন তারা। আমরা খুশি যে তিনি তার শেকড়কে ভোলেননি।
কমলা হ্যারিসের মা শ্যামলা গোপালান ১৯৫৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। তিনি দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুতে বেড়ে ওঠেন। ক্যানসার বিশেষজ্ঞ শ্যামলার মা-বাবার বাড়ি ছিল থুলাসেনধ্রাপুরাম গ্রামে।
আরো পড়ুন: সংসদে পদ হারাচ্ছেন কঙ্গনা?
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে কমলা হ্যারিস জানান, আমার মা ১৯ বছর বয়সে একা ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। তিনি ছিলেন একাধারে একজন বিজ্ঞানী, গণ-অধিকার কর্মী এবং এমন একজন মা, যিনি দুই মেয়ের মধ্যে তার জন্য গর্বের জন্ম দিতে পেরেছেন।
কমলার মায়ের মৃত্যুর পর তার বোন মায়াকে সঙ্গে নিয়ে চেন্নাই ভ্রমণ করেন কমলা হ্যারিস। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর দেয়া তথ্যানুসারে হিন্দু ধর্মীয় রীতিতে এ সময় মায়ের ছাইভস্ম সাগরে ফেলেন তারা।
