×

আন্তর্জাতিক

‘ইরানের ইউরেনিয়াম কোথাও যাবে না’

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ মে ২০২৬, ০৯:৫৭ এএম

‘ইরানের ইউরেনিয়াম কোথাও যাবে না’

ছবি: সংগৃহীত

পারমাণবিক ইস্যুতে সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইরান। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি নির্দেশ দিয়েছেন, সামান্য ইউরেনিয়ামও দেশের বাইরে পাঠানো হবে না।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আমরা ইউরেনিয়াম ইরানের কাছে থাকতে দেবোই না। প্রয়োজন হলে আমরা সেটি ধ্বংস করে ফেলবো।’ তার জবাবেই মোজতবা খোমেনির ওই নির্দেশ আসে বলে মনে করা হচ্ছে।

মোজতবা খামেনির এ নির্দেশের কথা রয়টার্সকে জানিয়েছেন দুটি ইরানি সূত্র।

ইরানের এই কঠিন সিদ্ধান্তে নতুন করে জটিলতায় পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান শান্তি আলোচনা। কেননা,ট্রাম্প প্রশাসনের শান্তি আলোচনার অন্যতম প্রধান দাবি ছিল ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে সরিয়ে নিতে হবে।

অন্যদিকে ইসরায়েলও স্পষ্ট জানিয়েছে, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরানো ছাড়া যুদ্ধ শেষ হয়েছে বলে তারা মনে করবে না। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর সমর্থনও বন্ধ করতে হবে।

অন্যদিকে, তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করছে ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠালে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মুখে দেশ আরো দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই খামেনির নির্দেশে সেই পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও দুই পক্ষের মধ্যে অবিশ্বাস এখনো তীব্র। ইরানি কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইরানের শান্তি আলোচনার প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফও দাবি করেছেন, আমেরিকার প্রকাশ্য ও গোপন তৎপরতা নতুন হামলার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তবে সবকিছুর মাঝেও আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। ইরানের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সির (আইএইএ) তত্ত্বাবধানে মজুত পারমাণবিক অস্ত্রের পরিমাণ কমানোর মতো সমাধানের কথাও বলা হয়েছে।

আইএইএ-র অনুমান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন মাসে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়, তখন ইরানের কাছে ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ৪৪০.৯ কেজি ইউরেনিয়াম ছিল। এর কী পরিমাণ টিকে আছে তা স্পষ্ট নয়।

আইএইএ প্রধান রাফায়েল গ্রোসি মার্চ মাসে বলেছিলেন যে, ওই মজুদের যা অবশিষ্ট ছিল তা ‘প্রধানত’ ইরানের ইস্পাহান পারমাণবিক কেন্দ্রের একটি টানেল কমপ্লেক্সে সংরক্ষিত আছে এবং তার সংস্থা বিশ্বাস করে যে সেখানে ২০০ কেজির কিছু বেশি পরিমাণ রয়েছে। আইএইএ আরো বিশ্বাস করে যে এর কিছু অংশ নাতাঞ্জের সুবিশাল পারমাণবিক কমপ্লেক্সেও রয়েছে, যেখানে ইরানের দুটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র ছিল।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নজরদারিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান চান ফলকার টুর্ক

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নজরদারিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান চান ফলকার টুর্ক

অবৈধ অটোরিকশার চার্জিং পয়েন্টের সঙ্গে জড়িত কারা, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধ অটোরিকশার চার্জিং পয়েন্টের সঙ্গে জড়িত কারা, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরোনো পাতায় নতুন গল্প: সোনাদীঘির অর্ধশতকের পাঠশালা

পুরোনো পাতায় নতুন গল্প: সোনাদীঘির অর্ধশতকের পাঠশালা

পুলিশ সদস্যের বাসায় মিলল ৯০ হাজার পিস ইয়াবা

পুলিশ সদস্যের বাসায় মিলল ৯০ হাজার পিস ইয়াবা

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App