সৌদিতে প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
সৌদিতে প্রবাসী কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন এবং স্পন্সরশিপ পরিবর্তনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে দেশটির সরকার। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের ‘কিওয়া’ প্ল্যাটফর্ম থেকে জানানো হয়েছে, নিয়োগকর্তারা আগামী ৩০ জুন (মঙ্গলবার) পর্যন্ত কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন বা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করার সুযোগ পাবেন।
প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘সৌদি গেজেট’-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
কিওয়া প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ‘আগামী ১ জুলাই থেকে যেসব কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট তিন মাসের বেশি সময় ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ রয়েছে, তাদের নিয়োগকর্তার প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু হবে।’
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, তিন মাসের বেশি ওয়ার্ক পারমিট নবায়নহীন থাকলে কর্মীর নাম প্রতিষ্ঠান থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাদ যাবে। তবে ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কাজ করানোর নির্দিষ্ট সময়কালের যাবতীয় বকেয়া বেতন, আর্থিক দায় ও ফি সম্পূর্ণভাবে নিয়োগকর্তাকেই বহন করতে হবে।
নির্ধারিত সময়সীমার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কাগজপত্র বৈধ করার আহ্বান জানিয়ে কিওয়া একটি ব্যতিক্রমী নিয়মের কথা উল্লেখ করেছে। এতে বলা হয়েছে নিয়মটি হলো, যদি কোনও কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, কিন্তু তার ইকামার (বাসস্থান অনুমতি) মেয়াদ এখনও কমপক্ষে ১৮০ দিন বৈধ থাকে, তবে ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন সম্ভব না হলেও তাকে প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড থেকে তাৎক্ষণিক অপসারণ করা হবে না।
কিন্তু ইকামার অবশিষ্ট মেয়াদ যদি ১৮০ দিনের কম হয়, তবে পরবর্তী প্রশাসনিক জটিলতা ও জরিমানা এড়াতে নিয়োগকর্তাকে একসঙ্গে ইকামা ও ওয়ার্ক পারমিট দুটিই নবায়ন করতে হবে।
কিওয়া আরো জানিয়েছে, যেসব প্রবাসী কর্মী তিন মাসের বেশি সময় ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ বা বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কাজ করছেন, তাদের নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
বকেয়া ওয়ার্ক পারমিট ফি দ্রুত পরিশোধ করে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের পারমিট নবায়ন অথবা তাদের সেবা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা ও অতিরিক্ত আর্থিক জরিমানা এড়াতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সৌদির নিয়োগকর্তাদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে প্ল্যাটফর্মটি।
