তুর্কি প্রেসিডেন্টকে বিরোধীদলীয় নেতার শুভেচ্ছাপত্র হস্তান্তর
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের উদ্দেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সংহতি ও শুভেচ্ছাপত্র (লেটার অব সলিডারিটি অ্যান্ড কমেন্ডেশন) ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীতে অবস্থিত তুরস্ক দূতাবাসে গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার রাষ্ট্রদূত রামিস শেনের হাতে চিঠিটি তুলে দেন।
শুভেচ্ছাপত্রে ডা. শফিকুর রহমান ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই তুরস্কে সংঘটিত ব্যর্থ অভ্যুত্থানচেষ্টার সময় প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের দৃঢ় নেতৃত্ব এবং গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তুর্কি জনগণের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা ও সংহতি প্রকাশ করেন।
এতে প্রযুক্তি, অর্থনীতি, শিল্পোন্নয়ন, আত্মনির্ভরশীলতা এবং মুসলিম বিশ্বের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতা প্রতিষ্ঠায় প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের নেতৃত্বে তুরস্কের অগ্রগতিরও প্রশংসা করা হয়।
চিঠিতে বাংলাদেশ ও তুরস্কের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও বহুমাত্রিক করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।
চিঠি হস্তান্তরের পর রাষ্ট্রদূত রামিস শেন মিয়া গোলাম পরওয়ারকে দূতাবাসে আয়োজিত ‘১৫ জুলাই গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য দিবস’ উপলক্ষে নির্মিত আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখান। এ সময় তিনি ২০১৬ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানচেষ্টার বিভিন্ন ঘটনা, তুর্কি জনগণের প্রতিরোধ এবং গণতন্ত্র রক্ষায় তাদের আত্মত্যাগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমান এবং দলের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির সদস্য আলী আহসান মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।
পরে উভয় পক্ষের মধ্যে বাংলাদেশ ও তুরস্কের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
