×

আইন-বিচার

দুদকের মামলা

সাকিবসহ ১৫ জনের প্রতিবেদন ২৭ জুলাই

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ০৩:২০ পিএম

সাকিবসহ ১৫ জনের প্রতিবেদন ২৭ জুলাই

ফাইল ছবি

শেয়ার বাজার থেকে অর্থ লোপাট, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে ক্রিকেটার ও মাগুরা-১ সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, তার মা শিরিন আক্তারসহ ১৫ জনের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে দুই মাসের বেশি সময় পেয়েছে দুদক।

বুধবার (২০ মে) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন থাকলেও দিতে পারেনি দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। এ কারণে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ প্রতিবেদন দাখিলের দিন ২৭ জুলাই ধার্য করেছেন।

দুদকের আদালতের প্রসিকিউশনের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।

গেল বছরের ১৭ মে দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

বাংলাদেশের সফলতম ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ২০২৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে মাগুরা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। অগাস্টে তিনি যখন কানাডায়, সেই সময় আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর তার আর দেশে ফেরা হয়নি।

অগাস্টেই সাকিবের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয় আদাবর থানায়। পরে ‘শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারি, নিষিদ্ধ জুয়ার ব্যবসা ও জুয়া প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, স্বর্ণ চোরাচালানে সম্পৃক্ততা, প্রতারণার মাধ্যমে কাঁকড়া ব্যবসায়ীদের অর্থ আত্মসাৎ, ক্রিকেট খেলায় দুর্নীতি ও নির্বাচনী হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপনের’ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নামে দুদক।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, “তারা নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) অ্যাকাউন্টসমূহে অসাধু, অনৈতিক ও অবৈধ উপায়ে ফাটকা ব্যবসার মত ধারাবাহিক লেনদেন, প্রতারণামূলক সক্রিয় লেনদেন, ফাটকা ও অনুমাননির্ভর লেনদেনের মাধ্যমে বাজারে কারসাজি করত। তারা একটি সংঘবদ্ধ চক্র গঠন করে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারে ধারাবাহিকভাবে ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে দাম বৃদ্ধি করে প্রতারণার মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সেই শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করত। এর ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ব্যাপকভাবে আর্থিক ক্ষতির শিকার হন এবং চক্রটি ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকারও বেশি আত্মসাৎ করে, যা অস্বাভাবিক মূলধন লাভ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও প্রকৃতপক্ষে ছিল অপরাধলব্ধ অর্থ।”

দুদক বলছে, মো. আবুল খায়ের (ওরফে হিরু) শেয়ারবাজার থেকে তোলা অর্থ থেকে ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকা তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের সহায়তায় বিভিন্ন খাতে স্থানান্তরের মাধ্যমে ‘মানি লন্ডারিং’ করেন।

হিরুর নামে থাকা ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২টাকার ‘অস্বাভাবিক, অযৌক্তিক এবং সন্দেহজনক’ লেনদেন হওয়ার কথাও বলা হয়েছে মামলার এজাহারে।

সেখানে বলা হয়েছে, হিরুর কারসাজি করা প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এবং সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে সাকিব আল হাসান বিনিয়োগ করেন।

“এতে তিনি মার্কেট ম্যানিপুলেশনে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ওই কারসাজিকৃত শেয়ারে বিনিয়োগে প্রতারণার মাধ্যমে প্রলুব্ধ করে তাদের ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইনের নামে অপরাধলব্ধ আয় হিসেবে শেয়ার বাজার হতে উত্তোলনপূর্বক আত্মসাৎ করেন।”

এই প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দরে কারসাজির অভিযোগেই গত সেপ্টেস্বরে সাকিবকে ৫০ লাখ টাকা জারিমানা করেছিল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

সে সময় আবুল খায়ের ওরফে হিরুকে ২৫ লাখ টাকা, ইশাল কমিউনিকেশন লিমিটেডকে ৭৫ লাখ টাকা, মোনার্ক মার্ট লিমিটেডকে এক লাখ টাকা, আবুল কালাম মাতবরকে ১০ লাখ টাকা, লাভা ইলেক্ট্রোড ইন্ডাস্ট্রিজকে এক লাখ টাকা এবং জাহেদ কামালকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছিল বিএসইসি।


সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

আমরা অন্ধ দলীয়করণে বিশ্বাসী নই: ভূমিমন্ত্রী মিনু

আমরা অন্ধ দলীয়করণে বিশ্বাসী নই: ভূমিমন্ত্রী মিনু

রাষ্ট্রপতি সংবিধানবিরোধী কাজ করলে তার শাস্তি হওয়া উচিত : নাহিদ ইসলাম

রাষ্ট্রপতি সংবিধানবিরোধী কাজ করলে তার শাস্তি হওয়া উচিত : নাহিদ ইসলাম

জনগণই সরকারের ক্ষমতার উৎস : মাহদী আমিন

জনগণই সরকারের ক্ষমতার উৎস : মাহদী আমিন

শিগগির রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা

ইসি মাছউদ শিগগির রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App