×

আইন-বিচার

চিফ প্রসিকিউটর

দণ্ডিত ৭ আসামির খোঁজ পেলেই গ্রেফতার করে দেশে আনা হবে

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম

দণ্ডিত ৭ আসামির খোঁজ পেলেই গ্রেফতার করে দেশে আনা হবে

ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। দণ্ডিত আসামিরা বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানিয়েছেন, তাদের অবস্থান শনাক্ত করা গেলে গ্রেফতার করে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনাল সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। কয়েকটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পাঁচ আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ৫০ শতাংশ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, বাজেয়াপ্ত করা সম্পদের অর্থ জুলাই ফাউন্ডেশন বা সংবিধিবদ্ধ অন্য কোনো সংস্থার মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের মধ্যে বণ্টনের কথা রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

দণ্ডিত আসামিদের অবস্থান সম্পর্কে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘এখন পর্যন্ত তাদের অবস্থান সম্পর্কে আমাদের কাছে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তবে তারা যেহেতু দণ্ডপ্রাপ্ত, তাদের অবস্থান শনাক্ত করা গেলে গ্রেফতার করে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, এ মামলায় প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে চারটি করে অভিযোগ ছিল। অধিকাংশ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল এ রায় দিয়েছেন। রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তিনি বলেন, এ জন্য তারা শুকরিয়া আদায় করছেন।

আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি ও ব্যক্তিগত দায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ১৪ দলীয় বৈঠকে কারফিউ ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর ওবায়দুল কাদেরের শুট অ্যাট সাইট নির্দেশের পর নির্বিচারে গুলি করে মানুষ হত্যার ঘটনা ঘটে।

মোহাম্মদ আলী আরাফাতসহ অনেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমের ফেসবুক পেজে মন্তব্য করছেন- এ বিষয়ে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের বিচারকার্য সম্পর্কে তারা অবগত ছিলেন। বিচার চলাকালে তারা আদালতে এসে মামলাটি মোকাবিলা করেননি। তার মতে, এতে স্পষ্ট যে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে পলাতক রয়েছেন।

তিনি বলেন, তারা অপরাধ করেছেন বলেই পলাতক রয়েছেন এবং পলাতক আসামিদের কোনো বক্তব্য আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো আসামি ইচ্ছাকৃতভাবে পলাতক থাকলে আইনের বিধান অনুযায়ীই বিচারকার্য পরিচালিত হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ কারণে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মন্তব্য করারও সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন চিফ প্রসিকিউটর।

সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের বিষয়ে তিনি বলেন, রায় প্রকাশের পর আপিলের জন্য ৩০ দিন সময় থাকবে। এই সময়ের মধ্যে কোনো সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বা অন্য কোনো ব্যবস্থাপনায় দেওয়ার সুযোগ নাও থাকতে পারে। তবে ৩০ দিন পার হওয়ার পর রায় বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের জন্য আইনগত কোনো বাধা থাকবে না।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

‘আগামী অধিবেশনেই পাস হবে সৌরবিদ্যুৎ আইন’

‘আগামী অধিবেশনেই পাস হবে সৌরবিদ্যুৎ আইন’

সরকার পতন আন্দোলনের হুমকি জামায়াত আমিরের

সরকার পতন আন্দোলনের হুমকি জামায়াত আমিরের

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, আঘাত হানবে কোথায়?

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, আঘাত হানবে কোথায়?

‘এবারের এইচএসসির ফলাফলই প্রকৃত চিত্র, বিএনপি সরকারকে সাধুবাদ’

‘এবারের এইচএসসির ফলাফলই প্রকৃত চিত্র, বিএনপি সরকারকে সাধুবাদ’

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App