অবস্থান কর্মসূচিতে সাংবাদিক নেতাদের হুঁশিয়ারি
জনকণ্ঠকে জবাবদিহিতার আওতায় আসতে বাধ্য করা হবে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৭:৫৫ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম বলেছেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনকে সহায়তা করা দৈনিক জনকণ্ঠ এখনও সেই ধারার পক্ষেই কাজ করছে। তিনি অভিযোগ করেন, পলাতক শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের মদদে প্রতিষ্ঠানটি দেশপ্রেমিক সাংবাদিক ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বেআইনি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে এবং গণহারে ছাঁটাই ও কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুপুরে দৈনিক জনকণ্ঠে গণছাঁটাই, শোকজ প্রদান ও হয়রানির প্রতিবাদে এবং অনতিবিলম্বে পত্রিকা অফিস খুলে দেওয়ার দাবিতে জনকণ্ঠ ভবনের সামনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মসূচির আয়োজন করে ‘দৈনিক জনকণ্ঠ সাংবাদিক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ’।
দিদারুল আলম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে সাংবাদিক সমাজ খুব শিগগিরই জনকণ্ঠ কর্তৃপক্ষকে আইন মেনে জবাবদিহিতার আওতায় আসতে বাধ্য করবে। তিনি ছাঁটাইপত্র ও শোকজ নোটিশ প্রত্যাহার, বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ, হয়রানি বন্ধ এবং পত্রিকা অফিস পুনরায় চালুর দাবি জানান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন। তিনি বলেন, জনকণ্ঠের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অতীতে তারা রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় পেয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সাংবাদিকদের ওপর চলমান চাপ ও হয়রানির বিষয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে।
অবস্থান কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন দৈনিক জনকণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত বার্তা সম্পাদক ও ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুনির জারিফ, বিশেষ প্রতিনিধি ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মোহাম্মদ জসিম এবং মহাব্যবস্থাপক মফিজুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, পত্রিকাটির মালিকপক্ষ ও ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ রয়েছে। তারা অবিলম্বে ছাঁটাই ও কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রত্যাহার এবং পত্রিকা অফিস চালুর দাবি জানান। অন্যথায় মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান সোহেলের বিরুদ্ধে কর্মসূচিসহ বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দেন তারা।
