×

জাতীয়

রেনুর দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল, ঝরছিল রক্ত

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারি ২০২৩, ১০:০১ পিএম

রেনুর দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল, ঝরছিল রক্ত

ছবি: সংগৃহীত

তাসলিমা বেগম রেনুর বাম চোখের বাম সাইটে আঘাতের চিহ্ন ছিল। চোয়ালের দুই পাশ থেতলানো ছিল এবং নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল। পিঠে ও দেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল।'

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারী) ঢাকার ৬ষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুর্শিদ আহাম্মেদের আদালতে রাজধানীর বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে তাসলিমা বেগম রেনু হত্যা মামলার সাক্ষ্যে উপরোক্ত কথা বলেন কনস্টেবল এলি আক্তার। এদিন এলি আক্তারসহ ৫ জন সাক্ষ্য দেন। অপর সাক্ষীরা হলেন- পুলিশ কর্মকর্তা ফেরদৌস আলম ও মসিউর রহমান, মামুন এবং ইমাদুল ইসলাম। তাদের সাক্ষ্য শেষে আদালত আগামি ২০ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।

এলি আক্তার বলেন, বাড্ডা থানায় কর্মরত থাকাকালে শুনতে পাই, ২০১৯ সালের ২০ জুলাই বাড্ডা উত্তর-পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভেতরে ছেলে ধরা সন্দেহে এক মহিলাকে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। এসআই গোলাম মোস্তফার সাথে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাই। মৃত ব্যক্তির দেহের সুরতহাল করি শালীনতা বজায় রেখে। রেনুর শরীরের আঘাতের বর্ণণা করেন তিনি।

এনিয়ে মামলাটিতে ১২ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি আবুল কাশেম। সাক্ষ্য গ্রহণকালে ১৩ আসামি আদালতে হাজির ছিলেন।

মামলা বাদী নাসির উদ্দিন টিটু বিষয়টি জানান। গত ১ এপ্রিল ১৩ আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন একই আদালত।

আসামিরা হলেন- ইব্রাহিম ওরফে হৃদয় মোল্লা, রিয়া বেগম ময়না, আবুল কালাম আজাদ, কামাল হোসেন, মো. শাহিন, বাচ্চু মিয়া, মো. বাপ্পি ওরফে শহিদুল ইসলাম, মুরাদ মিয়া, সোহেল রানা, আসাদুল ইসলাম, বেল্লাল মোল্লা, মো. রাজু ওরফে রুম্মান হোসেন ও মহিউদ্দিন।

জাফর হোসেন পাটোয়ারী ও ওয়াসিম আহমেদ অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিচার শিশু আদালতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২০ জুলাই রাজধানীর বাড্ডার একটি স্কুলে সন্তানদের ভর্তির বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত হন তাসলিমা বেগম রেনু। এ ঘটনায় অজ্ঞাত ৫০০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন রেনুর ভাগ্নে সৈয়দ নাসির উদ্দিন টিটু।

গত বছর ১০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর আব্দুল হক ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক দুইজনের বিরুদ্ধে দোষীপত্র দাখিল করেন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নজরদারিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান চান ফলকার টুর্ক

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নজরদারিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান চান ফলকার টুর্ক

অবৈধ অটোরিকশার চার্জিং পয়েন্টের সঙ্গে জড়িত কারা, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধ অটোরিকশার চার্জিং পয়েন্টের সঙ্গে জড়িত কারা, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরোনো পাতায় নতুন গল্প: সোনাদীঘির অর্ধশতকের পাঠশালা

পুরোনো পাতায় নতুন গল্প: সোনাদীঘির অর্ধশতকের পাঠশালা

পুলিশ সদস্যের বাসায় মিলল ৯০ হাজার পিস ইয়াবা

পুলিশ সদস্যের বাসায় মিলল ৯০ হাজার পিস ইয়াবা

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App