ঝামেলা মেটাতে হবে রাজনৈতিকভাবেই
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৩, ০৮:২০ এএম
সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহীদ খান
মামলা-মোকদ্দমার মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের মধ্যে দ্বন্দ্বের নিরসন হবে না বলে মনে করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহীদ খান।
তিনি ভোরের কাগজকে বলেন, উপজেলা পরিষদের চলমান সমস্যা রাজনৈতিভাবে সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিকভাবেই এর সমাধান করতে হবে।
আবু আলম মো. শহীদ খান বলেন, উপজেলা পরিষদ আইনে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে উপজেলায় উপদেষ্টা রাখা হয়েছে। এরফলে চেয়ারম্যানদের করার কিছু নেই। এটি থেকেই মূলত ঝামেলার শুরু। এখন উপজেলা চেয়ারম্যানরা এমপিদের বিরুদ্ধে কিছু করতে পারছেন না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রতিপক্ষ বানিয়েছেন। মামলা করেছেন। মামলায় এর সমাধান নেই।
সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, উপজেলায় কর্মরত সরকারি কর্মকর্তাদেরও মনে রাখতে হবে সেখানে নির্বাচিত যে প্রতিনিধি আছেন তাদের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই কাজ করতে হবে। কে বড় আর কে বড় নয়- সেটি দেখার বিষয় নয়।
প্রসঙ্গত, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হবেন- উপজেলা পরিষদ আইনের ৩৩ ধারার এমন বিধান সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায় ৫ জুন পর্যন্ত স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। উপজেলা চেয়ারম্যানরা মামলার আর্জিতে বলেছেন, ২০১১ সালে উপজেলা পরিষদ আইন সংশোধন করে ইউএনওকে পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা করা হয়। আইন সংশোধনের পর ইউএনওরা চেয়ারম্যানদের উপদেষ্টা করে নিজেরাই উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কমিটির সভাপতি বনে যান। ফলে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা ইউএনওর অধীনস্থ কর্মচারী।
