তারেক রহমান
সুস্পষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমেই দেশের উন্নয়ন সম্ভব
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
জনগণের ভাগ্য বদলের সুস্পষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমেই দেশের উন্নয়ন ও জনগণের উপকার করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কলাবাগান ক্রীড়াচক্র মাঠে আয়োজিত ঢাকা-১০ আসনের নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জনসভায় ঢাকা–১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী রবিউল আলম রবি সভাপতিত্ব করেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি—যে বিশ্বাস শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ধারণ করতেন, যে বিশ্বাস দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ধারণ করেছেন—বাংলাদেশই আমাদের প্রথম এবং শেষ ঠিকানা। সব অত্যাচার-নির্যাতনের মধ্যেও তিনি দেশ ছেড়ে যাননি। বলেছেন, এই দেশের মানুষই তাঁর পরিবার। আসুন, আমরা পরিশ্রম করি, ঐক্যবদ্ধ থাকি, দেশকে গড়ে তুলি। কারণ সবার আগে—বাংলাদেশ।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আজকের এই নির্বাচনী জনসভায় আমরা চাইলে আমাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের নিয়ে অনেক কথা বলতে পারি। বিভিন্ন ব্যক্তি, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু শুধু কথা বললেই কি দেশের বা জনগণের কোনো লাভ হয়? না—লাভ হয় না। দেশ ও জনগণের প্রকৃত লাভ তখনই হয়, যখন একটি রাজনৈতিক দলের হাতে থাকে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও কার্যকর কর্মসূচি। ’
সারা দেশের স্কুলশিক্ষকদের পর্যায়ক্রমে কম্পিউটার প্রদানের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে বলেন তারেক রহমান। শহর ও গ্রাম—সব জায়গায় প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
প্রায় দেড় কোটির মতো প্রবাসী ভাই-বোনের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রায় দেশ চলে বলেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, তাঁদের হয়রানি কমাতে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দেশে ফিরে সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করতে চালু করা হবে প্রবাসী কার্ড।
বিএনপির আরও অনেক পরিকল্পনা আছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘সবগুলোর (পরিকল্পনা) মূল লক্ষ্য একটাই, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দুর্ভিক্ষকবলিত বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন, এমনকি খাদ্য রপ্তানিকারক দেশে পরিণত করেছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ শিল্পায়নের পথে এগিয়ে যায়। তখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বাংলাদেশকে ‘এমার্জিং টাইগার’ বলে স্বীকৃতি দেয়। তিনি (খালেদা জিয়া) মেয়েদের জন্য দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিনা মূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করেছিলেন। এই ইতিহাসই প্রমাণ করে—বিএনপি অভিজ্ঞতার আলোকে দেশ পরিচালনা করতে সক্ষম।’
