মার্কিন চুক্তির খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন চুক্তির পক্ষে-বিপক্ষে নানা দিক রয়েছেসেগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, সবদিক বিবেচনা করে সরকার পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।
বুধবার (২৫ ফেবুয়ারি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।
মন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত আগের ধার্য করা ট্যারিফ ‘মেইন্টেনেবল’ নয় বলে ঘোষণা করেছে। এরপর তারা প্রথমে সব দেশের জন্য ১০ শতাংশ এবং পরে ১৫ শতাংশ ট্যারিফ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো লিখিত নোটিফিকেশন পায়নি।’
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিষয়টি কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন। তাই পরিস্থিতি এখনো পরিবর্তনশীল।’
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পূর্ববর্তী সরকারের করা বাণিজ্যচুক্তি নিয়েও এখনই মন্তব্য করার মতো অবস্থা তৈরি হয়নি বলে জানান তিনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘চুক্তি আলোচনার সময় কিছু নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট ছিল। এটি একটি সংবেদনশীল বিষয় এবং সংশ্লিষ্ট দেশটিও বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই এ মুহূর্তে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য করা সমীচীন হবে না।’
শুল্ক ও চুক্তি বিষয়ে ব্যবসায়ীদের মতামত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন খাতের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। কোন সেক্টরে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে।’
বর্তমান দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তদারকিতে থাকা আমদানি পণ্যের দাম মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে রমজান শুরুর আগে অনেকেই একসঙ্গে বেশি পরিমাণে বাজার করায় কিছু সবজির দাম সাময়িকভাবে বেড়েছিলো। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ৪০-৫০ টাকার লেবু একসময় ১২০ টাকায় উঠেছিল, তবে পরে তা আবার স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে এসেছে।’
চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘অতীতে বিভিন্ন সরকার আশ্বাস দিলেও কার্যকর অগ্রগতি হয়নি। এ বিষয়ে বর্তমান সরকার বাস্তব পদক্ষেপ নিয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’
