×

জাতীয়

তোফাজ্জল হত্যা, আদালত থেকে পালালেন ঢাবি শিক্ষার্থী

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম

তোফাজ্জল হত্যা, আদালত থেকে পালালেন ঢাবি শিক্ষার্থী

ছবি: সংগৃহীত

চোর সন্দেহে ঢাবির ফজলুল হক মুসলিম হলে তোফাজ্জল হোসেন নামের মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত রাশেদ কামাল অনিক আদালত থেকে পালিয়েছেন।

রোববার (১৫ মার্চ) ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণের আবেদন জমা দেওয়ার পর তিনি সটকে পড়েন।

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগের এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অন্যতম প্রধান আসামি রাশেদ কামাল অনিক আজ আদালত প্রাঙ্গণ থেকে নাটকীয়ভাবে পালিয়ে গেছেন। আজ আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আত্মসমর্পণ করার আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। তবে আবেদনটি শুনানির অপেক্ষায় থাকাকালীন কৌশলে আদালত চত্বর থেকেই চম্পট দেন এই আসামি।

এর আগে, ১০ মার্চ তোফাজ্জল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে, ‎‎পলাতক থাকায় ২২ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মামলার বিবরণে বলা হয়, ‘১৮ সেপ্টেম্বর রাতে এক যুবক ফজলুল হক মুসলিম হলের গেটে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র তাকে আটক করে অতিথি কক্ষে নিয়ে যান। মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ করে ওই যুবককে প্রথমে চড়-থাপ্পড় ও পরে দক্ষিণ ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে জানালার সঙ্গে হাত বেঁধে স্ট্যাম্প, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে উচ্ছৃঙ্খল কিছু ছাত্র বেধড়ক মারধর করলে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। রাত ১২টার দিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী ওই যুবককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

‘‎পরদিন ১৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শাহবাগ থানায় এই ঘটনায় মামলা দায়ের করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। মামলাটি তদন্ত করে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন শাহবাগ থানার পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান। অভিযোগপত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত করা হয়। ‘তদন্ত সুষ্ঠু হয়নি জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে নারাজি দাখিল করা হয়।

মামলাটির তদন্ত প্রক্রিয়ায় নতুন মোড় আসে গত বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি, যখন ঢাকার তৎকালীন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুজ্জামান মামলাটি পুনরায় তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দীর্ঘ তদন্ত শেষে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হান্নানুল ইসলাম গত ১৫ ডিসেম্বর নতুন ৭ জনসহ মোট ২৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন।

আসামিরা হলেন- জালাল মিয়া, আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ, আল হোসাইন সাজ্জাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ, সুমন মিয়া, ওয়াজিবুল আলম, ফিরোজ কবির, আব্দুস সামাদ, সাকিব রায়হান, ইয়াছিন আলী, ইয়ামুজ্জামান ওরফে ইয়াম, ফজলে রাব্বি, শাহরিয়ার কবির শোভন, মেহেদী হাসান ইমরান, রাতুল হাসান, সুলতান মিয়া, নাসির উদ্দিন, মোবাশ্বের বিল্লাহ, শিশির আহমেদ, মহসিন উদ্দিন ওরফে শাফি, আব্দুল্লাহিল কাফী, শেখ রমজান আলী রকি, রাশেদ কামাল অনিক, মনিরুজ্জামান সোহাগ, আবু রায়হান, রেদোয়ানুর রহমান পারভেজ, রাব্বিকুল রিয়াদ ও আশরাফ আলী মুন্সী। তাদের মধ্যে আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ ও ওয়াজিবুল আলম জামিনে আছে। জালাল মিয়া, আল হোসেন সাজ্জাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ ও সুমন মিয়া কারাগারে রয়েছে। অপর আরো ২২ আসামি পলাতক রয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

দেশের বাজারে স্বর্ণের বড় দর পতন

দেশের বাজারে স্বর্ণের বড় দর পতন

সীমান্তে ৮ জনকে পুশইন, বিজিবির প্রতিরোধ

সীমান্তে ৮ জনকে পুশইন, বিজিবির প্রতিরোধ

টিভিতে আজকের খেলা

টিভিতে আজকের খেলা

রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে যা বললেন মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে যা বললেন মির্জা ফখরুল

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App