‘১৬ ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসর মন্ত্রণালয়ের রুটিন কাজ’
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘নিয়োগ, বদলি, প্রমোশন বা ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন- এগুলো মন্ত্রণালয়ের রুটিন কাজ। এগুলো চলছে। এটার কোনো টাইম লিমিট নেই। এটা প্রতিদিনকার কাজ। পুলিশের ১৬ ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়টিও ওরকমই।
সোমবার (৪ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
যাদের অবসরে পাঠানো হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ বা প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘এগুলো মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হয়। কারো প্রতি যেন অবিচার না হয় আমরা সেভাবে দেখেছি।’
এর আগে, রোববার (৩ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তারা বিধি অনুযায়ী অবসর সুবিধা পাবেন। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।
অবসরপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ, সিআইডির ডিআইজি হাবিবুর রহমান, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি সালেহ মোহাম্মদ তানভীর, এনএসআইয়ের পরিচালক হারুন-অর-রশীদ এবং পুলিশ স্টাফ কলেজের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান।
এ ছাড়া পিটিসি নোয়াখালীর কমান্ড্যান্ট হায়দার আলী খান, পিটিসি খুলনার কমান্ড্যান্ট মাহবুবুর রহমান ভূইয়া, ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিআইজি রুহুল আমিন, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি রফিকুল হাসান গনি, নৌ-পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমান এবং রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মজিদ আলীও অবসরে গেছেন।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি কাজী জিয়া উদ্দিন, রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি গোলাম রউফ খান, পিটিসি রংপুরের কমান্ড্যান্ট রেজাউল হায়দার, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি রখফার সুলতানা খানম এবং রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদা) ফারহাত আহমেদও এই তালিকায় রয়েছেন।
গত ২২ এপ্রিল ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার আরও ১৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল।
