পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
১০০ নিত্যপণ্যের দাম এক টাকাও বাড়েনি, এটাই তারেক রহমানের সরকার
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫২ পিএম
ছবি: ভোরের কাগজ
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, যখনই কোনো বাজেট পাস করা হয় তখনই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ানো হয়, কিন্তু এবার দেখেন তো কোনো দাম বেড়েছে নাকি। ১শটি নিত্যপণ্য স্বাভাবিক রয়েছে। এক টাকাও দাম বাড়েনি। এটাই তারেক রহমানের সরকার।
তিনি আরও বলেন, বাজেট পাসের সময় বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য হওয়ার কথা, যেটা তারেক রহমান নিজের বক্তব্যে বলেছেন। আর সে কারণেই বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান নিজের চেয়ার থেকে উঠে গিয়ে তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান। এটাই হলো তারেক রহমানের সরকার, এটাই বিএনপি সরকার।
শনিবার দুপুরে পঞ্চগড়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল এবং অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থী, গরিব, দুঃস্থ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মাঝে বাইসাইকেল, সেলাই মেশিন, শাড়ি ও বিপি মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আমার অনুরোধ, আমরা যাদের অনুদান দিচ্ছি তাদের দলীয় কোনো পরিচয় দেখবেন না। দলমত নির্বিশেষে যারা পাওয়ার যোগ্য তাদের এসব অনুদান দেবেন। এখন দেখবেন অনেক আত্মীয় বের হবে, অনেক দাবি করবে, এসবের দিকে তাকাবেন না। বরং দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের দিকে তাকাবেন। আজকে আমি এমপি হয়েছি, আমি মনে করি পঞ্চগড়ের সকল মানুষের আমি এমপি। আজকে আমি মন্ত্রী হয়েছি, সারা দেশের ভোটারদের মন্ত্রী হয়েছি। অতএব আমাকে সকলের মন্ত্রী হয়ে থাকতে হবে, নয়তোবা ওই বিগত দিনের ফ্যাসিস্ট সরকারের মতো অবস্থা হবে আমাদেরও।
তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারপ্রধান সাড়ে নয়শ টাকায় দুপুরের খাবার খেতেন আর বর্তমান তারেক রহমানের সরকার একশ পঞ্চাশ টাকায় দুপুরের খাবার খান। শুধু উনি একাই নন, অফিসের সকলেই খান, এমনকি আমরাও সেই দেড়শ টাকার খাবার খাই। তারেক রহমান যদি জীবনমান পরিবর্তন করতে পারেন তাহলে আমরা কেন পারব না। আসুন সবাই মিলে পরিবর্তন হই, দেশকে ভালোবাসি। একসঙ্গে সবাই মিলে দেশ গড়ার আহ্বান জানান তিনি।
জেলা পরিষদের আয়োজনে শনিবার দুপুরে জেলা পরিষদের সামনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ও উপহারসামগ্রী বিতরণ করেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
এ সময় জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভিন, পুলিশ সুপার আবু সাইম, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী অঞ্জন কুমার, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু ও স্থানীয় নেতাকর্মীসহ উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জেলার অসহায় মহিলাদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৭৭টি সেলাই মেশিন, শিক্ষার্থীদের ১১৭টি বাইসাইকেল, ১১১টি কমিউনিটি ক্লিনিকে বিপি মেশিনসহ শাড়ি বিতরণ করা হয়।
