×

জাতীয়

জিয়াউল আহসানের বাড়িতে দুদকের অভিযান

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম

জিয়াউল আহসানের বাড়িতে দুদকের অভিযান

ছবি : সংগৃহীত

ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক ও বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের রাজধানীর ‘জলসিঁড়ি’ নামে পরিচিত আটতলা বাড়িতে অভিযান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২০ জুলাই) আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পত্তির তালিকা (ইনভেন্টরি) প্রস্তুতের অংশ হিসেবে  এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল সকাল থেকে বাড়িটিতে ইনভেন্টরি কার্যক্রম শুরু করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সম্পত্তির তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত জিয়াউল আহসান ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ক্রোক করা স্থাবর সম্পত্তির তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও গণপূর্ত বিভাগকে ‘রিসিভার’ (তত্ত্বাবধায়ক) হিসেবে নিয়োগ দেন।

আরো পড়ুন : সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালকে ফেরাতে ভারতের কাছে ঢাকার আনুষ্ঠানিক আবেদন

দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক ও তদন্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুল ইসলাম সম্পত্তিগুলোর সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রিসিভার নিয়োগের আবেদন করলে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ২০১৭ সালে জিয়াউল আহসান অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। অভিযোগ রয়েছে, ওই দেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়ায় তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা মালয়েশিয়ার দুটি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে দুই লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করেন। এছাড়া অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডার পাঁচ বছর মেয়াদি বন্ডে প্রায় ১৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার বিনিয়োগের তথ্যও পেয়েছে দুদক।

অনুসন্ধানে জানা যায়, দুবাইয়ের ফার্স্ট আবুধাবি ব্যাংকের দুটি হিসাবে যথাক্রমে প্রায় ২০ কোটি ও ৭৫ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া মালয়েশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক হিসাবেও বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের তথ্য তদন্তে উঠে এসেছে।

জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্তে ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করে দুদক।

এর আগে ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক জিয়াউল আহসান, তার স্ত্রী-সন্তান এবং তাদের মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের লেনদেন স্থগিতের নির্দেশ দেয়।

১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত জিয়াউল আহসান কর্মজীবনে র‌্যাব, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) এবং এনটিএমসির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালে র‌্যাব-২-এর উপ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, পরে এনএসআইয়ের পরিচালক এবং ২০১৭ সালে এনটিএমসির পরিচালক হন। ২০২২ সালে মহাপরিচালক পদ সৃষ্টির পর সংস্থাটির প্রথম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নজরদারিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান চান ফলকার টুর্ক

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নজরদারিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান চান ফলকার টুর্ক

অবৈধ অটোরিকশার চার্জিং পয়েন্টের সঙ্গে জড়িত কারা, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধ অটোরিকশার চার্জিং পয়েন্টের সঙ্গে জড়িত কারা, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরোনো পাতায় নতুন গল্প: সোনাদীঘির অর্ধশতকের পাঠশালা

পুরোনো পাতায় নতুন গল্প: সোনাদীঘির অর্ধশতকের পাঠশালা

পুলিশ সদস্যের বাসায় মিলল ৯০ হাজার পিস ইয়াবা

পুলিশ সদস্যের বাসায় মিলল ৯০ হাজার পিস ইয়াবা

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App