বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৫ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
চলতি অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ-২০২৬ মৌসুমে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও বস্তাবন্দীকরণের জন্য ১ কোটি ৬০ লাখ পিস হেসিয়ান পাটের বস্তা কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এসব বস্তা কিনতে সরকারের ব্যয় হবে ১১১ কোটি ৬ লাখ ৪০০ টাকা।
বুধবার (২২ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য অধিদপ্তর উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৩০ কেজি ধারণক্ষমতার হেসিয়ান পাটের বস্তা সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়। এ লক্ষ্যে আহ্বান করা দরপত্রের বিপরীতে ৩৮টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে মোট ১ হাজার ১৫৩টি দরপত্র জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ১০৯টি দরপত্র গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির (টিইসি) সুপারিশের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন দরদাতা ২১টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ পিস পাটের বস্তা কেনার সিদ্ধান্ত হয়। নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষে এসব প্রতিষ্ঠান থেকেই বস্তা ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
খাদ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রতিটি বস্তার গড় মূল্য হবে ৬৯ টাকা ৪১ পয়সা। সরকারি অর্থায়নে কেনা এসব বস্তা চলমান বোরো সংগ্রহ কার্যক্রমে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও বস্তাবন্দীকরণে ব্যবহার করা হবে।
এদিকে একই বৈঠকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকার ছয়টি সংযোগ সড়ক পাকাকরণ প্রকল্পের প্রস্তাবিত দ্বিতীয় সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড, চট্টগ্রামকে নির্বাহক সংস্থা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রকল্পটি সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ‘চট্টগ্রাম বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পটি ২০২৩ সালের ২০ জুন অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ৩ হাজার ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে অনুমোদন পায়। ওই প্রকল্পের আওতায় জঙ্গল সলিমপুর এলাকার ছয়টি সংযোগ সড়ক পাকাকরণের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
জঙ্গল সলিমপুরকে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করে দ্রুত এবং কার্যকরভাবে কাজ সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ ক্রয় পদ্ধতির আওতায় প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধিত উন্নয়ন প্রস্তাবে সেনাবাহিনীর এ ইউনিটকে নির্বাহক সংস্থা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির নীতিগত অনুমোদন দেয় সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।
