প্রধানমন্ত্রী
পদোন্নতিতে কোনো ব্যক্তিগত প্রভাব খাটানো যাবে না
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৪০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের প্রতিফলন ঘটানো যাবে না বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সেনা সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও অনুগত্যের ভিত্তিতে পদোন্নতির সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
রোববার (২৬ জুলাই) সেনাসদরে ‘সেনাসদর নির্বাচনি পর্ষদ-২০২৬’-এর প্রথম পর্বের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে দেওয়া বক্তব্যে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি পর্ষদের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেন।
আরো পড়ুন: সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সংকটময় মুহূর্তে এবং যেকোনো দুর্যোগে সেনাবাহিনী যেভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা প্রশংসনীয়। দেশের প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর ত্যাগ ও সমর্থনের জন্য সেনাপ্রধান থেকে শুরু করে সেনাবাহিনীর সর্বস্তরের সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।’
এর আগে, সেনাসদরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান ও চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস)। ব্যস্ততার মধ্যেও উপস্থিতি থেকে নির্বাচনি পর্ষদ উদ্বোধন করার জন্য সেনাপ্রধান প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পদোন্নতি পর্ষদের মূল্যবান ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সব শহীদ, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং দায়িত্ব পালনকালে শহীদ হওয়া সব সেনাসদস্যের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন তিনি।
পর্ষদের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেন, পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের প্রতিফলন ঘটানো যাবে না। পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও অনুগত্যের ভিত্তিতে পদোন্নতির সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এই ১ম পর্বের পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্নেল থেকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল থেকে কর্নেল পদবির যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতির জন্য বিবেচনা করা হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামসহ সামরিক বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
