×

জাতীয়

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন একপেশে: চিফ প্রসিকিউটর

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন একপেশে: চিফ প্রসিকিউটর

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন একপেশে: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক আইনি মানদণ্ড সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ব্যর্থ হচ্ছে—হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) এমন অভিযোগকে 'একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট' বলে দাবি করেছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি দাবি করেন, সংস্থাটি প্রসিকিউশন বা তদন্ত সংস্থার বক্তব্য না নিয়েই প্রতিবেদন তৈরি করেছে, যা কোনোভাবেই নিরপেক্ষ হতে পারে না।

বুধবার (২৯ জুলাই) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর এসব কথা বলেন। শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ ঘিরে গণহত্যার ঘটনায় করা মামলায় সম্প্রতি আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টিকে সামনে এনে মঙ্গলবার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এইচআরডব্লিউ।

আমিনুল ইসলাম বলেন, 'হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির পেছনে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল থাকতে পারে। এটি নিরপেক্ষ কোনো প্রতিবেদন নয়। এইচআরডব্লিউ-এর প্রতিনিধি দল প্রসিকিউশন বা তদন্ত সংস্থার সঙ্গে কথা বলে যদি প্রতিবেদন তৈরি করতো, তাহলে সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসতো। কিন্তু তাদের এখনকার প্রতিবেদনটি একপাক্ষিক। কোনো আসামির মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে এটি প্রকাশিত হয়েছে।'

আরো পড়ুন: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ

এইচআরডব্লিউ-এর প্রতিবেদনে সাক্ষীদের জবানবন্দিতে একই ধরনের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি নিয়ে তোলা প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, 'একই ঘটনার একাধিক আসামির বিচার হলে সাক্ষীদের বক্তব্যে সামঞ্জস্য থাকাই স্বাভাবিক। কারণ একটি জায়গায় যদি ১০০ জন মানুষ শহীদ হন, আর এ ঘটনায় বিভিন্ন আসামির বিচার আলাদাভাবে হয়, তাহলে সাক্ষীদের বক্তব্যও একই ধরনের হবে। বরং ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য হলে তখনই প্রশ্ন ওঠার কথা।'

বিষয়টি এইচআরডব্লিউ সঠিকভাবে বুঝতে পারেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'সাক্ষীদের বক্তব্যে সামঞ্জস্যতা থাকা বাঞ্ছনীয়। কেননা সারাদেশে একই ধরনের অপরাধ, একইভাবে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার ও হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। অতএব সাক্ষ্যও একই ধরনের হবে। যা ঘটনা ঘটেছে, সাক্ষীরা সেটাই বলবেন। সেরকম বক্তব্য যদি একই রকম হয়, তাহলে দোষ কোথায়?'

তদন্ত সংস্থা বা প্রসিকিউশন টিমের দক্ষতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই জানিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় অতিরিক্ত আইজিপি, এসপি ও অতিরিক্ত এসপি পদমর্যাদার ২৩ জন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি প্রসিকিউশন টিমেও দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ফৌজদারি আইনজীবীরা রয়েছেন। এসব কর্মকর্তা ও আইনজীবীর দক্ষতা বা মান নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো অবকাশ নেই।

তিনি আরও বলেন, 'আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন-১৯৭৩ একটি দেশীয় আইন। তাই দেশের আইনজীবী ও বিচারকদের মাধ্যমেই এ বিচার পরিচালিত হবে। বিদেশি বিচারক বা আইনজীবী এনে বিচার পরিচালনার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। বরং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামনেস্টিসহ যেসব সংস্থা বারবার এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করছে, তাদের নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে। যথাযথ তথ্য যাচাই-বাছাই না করে এবং আসামিদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তারা পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন প্রকাশ করছে।'

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

দেওয়ানি মামলার জট কমাতে সংস্কার কার্যক্রম জোরদার করছে সরকার

আইনমন্ত্রী দেওয়ানি মামলার জট কমাতে সংস্কার কার্যক্রম জোরদার করছে সরকার

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের নামে হেনস্তা, মুখ খুললেন অভিনেত্রী

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের নামে হেনস্তা, মুখ খুললেন অভিনেত্রী

বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় সিরাপসহ আটক ৩

বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় সিরাপসহ আটক ৩

মার্কিন সেনাদের কাছে মোবাইল থাকায় সুবিধা পাচ্ছে ইরান, ব্যবস্থা নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন সেনাদের কাছে মোবাইল থাকায় সুবিধা পাচ্ছে ইরান, ব্যবস্থা নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App