×

জাতীয়

শব্দ সন্ত্রাসে অতিষ্ঠ জীবন

Icon

সেবিকা দেবনাথ

প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪০ এএম

শব্দ সন্ত্রাসে অতিষ্ঠ জীবন

ছবি: প্রতীকী

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে দিন দিন বেড়ে চলেছে শব্দদূষণ। যানবাহনের অপ্রয়োজনীয় হর্ন, নির্মাণকাজ, শিল্পকারখানার যন্ত্রের শব্দ এবং সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উচ্চ শব্দে মাইক ব্যবহারের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।

দেখা যায়, যানজটপূর্ণ সড়কে প্রায় প্রতিটি যানবাহনই অকারণে হর্ন বাজাচ্ছে; বিভিন্ন স্থানে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত ভারী যন্ত্রপাতির অনবরত শব্দ; হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশেও উচ্চ শব্দদূষণ। এসব শব্দ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না। অথচ অত্যধিক শব্দ শুধু অস্বস্তির কারণই নয়, এটি স্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক হুমকি। তাই একে বলা হয় প্রকাশ্য অথচ নীরব ঘাতক। এই ঘাতকের কারণে মানুষের শ্রবণশক্তি যেমন ক্ষয় হচ্ছে তেমনি ক্ষয় হচ্ছে জীবনীশক্তিও। অনেকেই শব্দদূষণকে ‘শব্দ-সন্ত্রাস’ও বলে থাকেন।

বাংলাদেশে শব্দদূষণ নিয়ে পরিপূর্ণ গবেষণা নেই। ২০১৬ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, সরাসরি এক-তৃতীয়াংশ মানুষ এর দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এর মধ্যে কম বা বেশি ক্ষতিও আছে। অর্থাৎ কারোর ক্ষতির পরিমাণ বেশি হচ্ছে আবার কারোর কম। তবে ক্ষতির শিকার হচ্ছে সবাই। অতিমাত্রার শব্দ শিশুদের শারীরিক বিকাশে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। যদিও শব্দদূষণ রোধে দেশে আইন আছে। সেই আইনে জেল-জরিমানার বিধানও আছে। তবে তার প্রয়োগ হয় কতটা, তা নিয়ে বিশেষ তথ্য পাওয়া যায় না।

তথ্য উপাত্ত কী বলছে : গবেষণার তথ্য বলছে, শব্দদূষণের কারণে ঢাকার ১১ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন। বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের (ক্যাপস) এক গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকায় ট্রাফিক বিভাগের কর্মরতদের ৫৬ দশমিক ৪ শতাংশ পুলিশ কানে কম শোনেন। এর মধ্যে শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে হারানোর পথে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রায় ৮ শতাংশ পুলিশ কয়েক ঘণ্টা দায়িত্ব পালনের পর উচ্চ রক্তচাপ, মেজাজ খিটখিটে, মানসিক চাপ, স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়াসহ ক্লান্তি সমস্যায় ভোগেন। আরেক গবেষণার তথ্য বলছে ৬৫ শতাংশ ড্রাইভার কানে কম শোনে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২১-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী, আবাসিক এলাকায় শব্দের আদর্শ মান দিনের বেলায় ৫৫ ডেসিবেল এবং রাতের বেলায় ৪০ ডেসিবেল। অথচ বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ঢাকার ৯৭ শতাংশ এলাকা শব্দদূষণের মাত্রা অতিক্রম করেছে। আর স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকার ৮২ শতাংশ এলাকাতেই শব্দমাত্রা ৬০ ডেসিবেল ছাড়িয়ে যায়। এদিকে ২০২২ সালের জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ঢাকা শহর বিশ্বের সবচেয়ে শব্দদূষণযুক্ত নগরী, যেখানে গড় শব্দমাত্রা ছিল ১১৯ ডেসিবেল, যা গ্রহণযোগ্য মাত্রার দ্বিগুণেরও বেশি। আরো ভয়াবহ তথ্য হচ্ছে সরকার বিভিন্ন সময় বিভিন্ন এলাকাকে ‘নিরব এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করলেও সেইসব এলাকায়ও দূষণের মাত্রা অনেক বেশি।

নীরব এলাকায়ও দ্বিগুণের বেশি মাত্রার শব্দ : ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও এর কাছের ৩ কিলোমিটার মহাসড়ককে ‘নীরব এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর। ঘোষণার পরপর কিছুটা কমেছিল শব্দদূষণ। ঘোষিত সেই নীরব এলাকার মধ্যে চার স্থানের শব্দ পরিস্থিতি নিয়ে একটি গবেষণা হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, দুই স্থানে শব্দ কিছুটা কমেছে। কিন্তু দুই স্থানে আবার বেড়ে গেছে। সার্বিকভাবে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। ২০১৯ সালে সচিবালয় এলাকা, শিশুমেলা, গণভবন, বিজয় সরণি, স্পারসো, রোকেয়া সরণি, পরিসংখ্যান ভবনের সামনের জায়গা, শহীদ শাহাবুদ্দিন সড়ক ও বীর উত্তম খালেদ মোশাররফ অ্যাভিনিউকে নীরব এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। কিন্তু পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।

এদিকে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্টের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবিইং বাংলাদেশের’ এক গবেষণা প্রতিবেদন গত মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়, ঢাকার নীরব এলাকায় দ্বিগুণের বেশি মাত্রার শব্দ উৎপন্ন হচ্ছে। বিধি অনুযায়ী হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসনিক এলাকাকে নীরব এলাকা বলা হলেও এসব এলাকায় মানমাত্রার থেকে দ্বিগুণের বেশি শব্দ উৎপন্ন হচ্ছে। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকার বিভিন্ন স্থানে শব্দদূষণের মাত্রা অত্যন্ত বেশি, যা স্বাভাবিক শব্দ ডেসিবেলের হিসেবে ১২০ থেকে ১৩২ এর মধ্যে ওঠা-নামা করে। শব্দ দূষণের অন্যতম কারণ- গাড়ির হর্র্ন, ইটভাঙার মেশিন, জেনারেটর, কলকারখানার সৃষ্ট শব্দ, বাদ্যযন্ত্রের শব্দ।

শব্দদূষণের প্রভাব : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ৩০টি কঠিন রোগের কারণ ১২ রকমের পরিবেশ দূষণ, যার মধ্যে শব্দদূষণ অন্যতম। শব্দদূষণের কারণে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, মাথা ব্যথা, খিটখিটে মেজাজ, অমনোযোগ, ঘুমে ব্যাঘাত, স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা কমে যাওয়াসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। দীর্ঘমেয়াদি উচ্চ শব্দমাত্রার সংস্পর্শে থাকলে শিশুদের মানসিক বিকাশে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। বৈশ্বিক একটি গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল সিটিস ইনস্টিটিউশনের সমীক্ষা দেখাচ্ছে, ঢাকায় যে ধরনের শব্দদূষণ ঘটছে তাতে এই শহরের চার ভাগের একভাগ মানুষ কানে কম শোনের কথা। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সালের মধ্যে শহরাঞ্চলের ৪৫ ভাগ মানুষ কানে কম শুনবেন। সে হিসাবে ২০৪৫ সালে প্রায় দেড় কোটির বেশি মানুষ হারাবেন শ্রবণশক্তি।

ট্রাফিক পুলিশ-রিকশাচালকদের তালিকা চেয়েছিল হাইকোর্ট : ২০২৩ সালে ১৬ জানুয়ারি শব্দদূষণের কারণে কানের সমস্যায় ভোগা ট্রাফিক পুলিশ ও রিকশাচালকের তালিকা চেয়েছিল হাইকোর্ট। ঢাকার দুটিসহ কুমিল্লা, সিলেট ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাছে এ তথ্য চাওয়া হয়েছিল। এবং আগামী চার মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ৫ সিটি করপোরেশনকে রেজিস্ট্রেশন করা ক্ষতিগ্রস্ত রিকশাচালকের তালিকা ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) ক্ষতিগ্রস্ত ট্রাফিক পুলিশের তালিকা দেয়ার জন্য বলা হয়েছিল তখন। মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে জনস্বার্থে এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ দিয়েছিল।

আইন বিধিমালায় কী আছে : ২০০৬ সালে বাংলাদেশ সরকার শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা প্রণয়ন করে। সেখানে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকার জন্য ভিন্ন ভিন্ন শব্দমাত্রার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু আইনের প্রয়োগের অভাবে শব্দদূষণ কমার বদলে বেড়েই চলেছে। এর প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালে ২৫ নভেম্বর শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার নতুন বিধিমালা জারি করে। ২০০৬ সালের বিধিমালা বাদ দিয়ে এলাকাভিত্তিক শব্দের মানমাত্রা, হর্ন ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা, শিল্প ও বাণিজ্যিক স্থাপনার দায়বদ্ধতা এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা আরো কঠোরভাবে নির্ধারণ করা হয় ওই বিধিমালায়।

বিধিমালায় দিনের সময় ভোর ৬টা থেকে রাত ৯টা এবং রাতের সময় রাত ৯টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত ধরা হয়েছে। কোন এলাকায় দিনে-রাতে কত মাত্রার শব্দ গ্রহণযোগ্য হবে, তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। নীরব এলাকায় দিনে ৫০ এবং রাতে ৪০ ডেসিবল, আবাসিক এলাকায় দিনে ৫৫ এবং রাতে ৪৫ ডেসিবল, মিশ্র এলাকায় দিনে ৬০ এবং রাতে ৫০ ডেসিবল, বাণিজ্যিক এলাকায় দিনে ৭০ এবং রাতে ৬০ ডেসিবল, আর শিল্প এলাকায় দিনে ৭৫ এবং রাতে ৭০ ডেসিবল শব্দমাত্রা অনুমোদিত হয়েছে।

হর্ন সংক্রান্ত বিধিনিষেধ আরো কড়া করা হয়। অতিরিক্ত শব্দসৃষ্টিকারী হর্ন, হাইড্রোলিক ও মাল্টি টিউন হর্নসহ সহায়ক যন্ত্রাংশ প্রস্তুত, আমদানি, মজুত, বিক্রি কিংবা বাণিজ্যিক পরিবহন- কোনোটিই করা যাবে না। মোটরযান বা নৌযানে অনুমোদনহীন উচ্চ শব্দের হর্ন স্থাপন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নীরব এলাকায় কোনোভাবেই হর্ন বাজানো যাবে না।

আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ। পটকা, আতশবাজি বা অনুরূপ বিস্ফোরণের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নীরব এলাকায় দিন-রাত কোনো সময়েই এগুলো ব্যবহার করা যাবে না। অন্যান্য এলাকাতেও রাতের সময়ে এ ধরনের শব্দসৃষ্টিকারী বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ। তবে রাষ্ট্রীয়, ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও উৎসবে অনুমতি সাপেক্ষে সীমিত আকারে তা ব্যবহার করা যাবে।

শিল্পকারখানা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক ভবন সব জায়গার জেনারেটর ব্যবহারকারীদের শব্দ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা নিতে হবে। প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসে বনভোজন নিষিদ্ধ করা হয়েছে; সেখানে লাউড স্পিকার, সাউন্ড সিস্টেমসহ উচ্চ শব্দের উৎস ব্যবহারও বন্ধ থাকবে। সামাজিক অনুষ্ঠান বা বনভোজনের জন্য ব্যবহৃত যানবাহনেও উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।

নির্ধারিত মানমাত্রা অতিক্রমকারী হর্ন বা সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশ প্রস্তুত, আমদানি বা বাজারজাত করলে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড অথবা ২ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড হতে পারে। মোটরযান বা নৌযানে অনুমোদনহীন হর্ন ব্যবহার এবং নীরব এলাকায় হর্ন বাজালে সর্বোচ্চ ৩ মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড দেয়া যাবে। চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে এক পয়েন্ট কাটা হবে। 

অন্যান্য বিধি ভঙ্গের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ এক মাসের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। ধর্মীয় উপাসনালয়, জাতীয় অনুষ্ঠান, প্রতিরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাপ্তরিক কাজ, আকাশযান ও রেলগাড়ির ক্ষেত্রে এ বিধিমালা প্রযোজ্য হবে না। ওই বিধিমালায় নির্বাচনি প্রচারেও শব্দব্যবহার নিয়েও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। 

নীরব এলাকায় কোনো নির্বাচনে মাইক, লাউড স্পিকার বা শব্দবর্ধক যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না। অন্য এলাকায় নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি অনুসরণ করতে হবে এবং শব্দমাত্রা কোনোভাবেই অনুমোদিত সীমা অতিক্রম করতে পারবে না। আচরণবিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষের কেউ একই এলাকায় ৩টির বেশি মাইক বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করতে পারবেন না।

প্রচারের অনুমোদিত সময় দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। মাইক বা শব্দবর্ধক যন্ত্রের শব্দমাত্রা ৬০ ডেসিবেলের বেশি হতে পারবে না। ভোটের তিন সপ্তাহ আগে প্রচার শুরু করা যাবে না এবং ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে সব প্রচার বন্ধ করতে হবে। এ বিধি ভাঙলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের সাজা ও দেড় লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে। প্রয়োজনে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও নির্বাচন কমিশনের হাতে দেয়া হয়।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

শেখ হাসিনার বক্তব্যে যে প্রতিক্রিয়া জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেখ হাসিনার বক্তব্যে যে প্রতিক্রিয়া জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শব্দ সন্ত্রাসে অতিষ্ঠ জীবন

শব্দ সন্ত্রাসে অতিষ্ঠ জীবন

ছুটির দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৫

ছুটির দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৫

ভারতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ১২৭৯ মসজিদের মাইক অপসারণ

ভারতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ১২৭৯ মসজিদের মাইক অপসারণ

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App