জাতীয় গ্রিড
সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহে ইউপির জন্য ১১৯ কোটি টাকা বরাদ্দ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম
ছবি: ভোরের কাগজ গ্রাফিক্স
জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণের জন্য দেশের ইউনিয়ন পরিষদগুলোর অনুকূলে এককালীন ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) থেকে ইউনিয়ন পরিষদগুলোর উন্নয়ন সহায়তা খাতের বিশেষ বরাদ্দ উপখাতে ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ছাড় করা হয়েছে। জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণে এই অর্থ ব্যয় করবে ইউনিয়ন পরিষদগুলো।
এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ সম্প্রতি জারি করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ-২ শাখা। আদেশে স্বাক্ষর করেছেন শাখাটির উপসচিব বিষ্ণুপদ পাল।
সরকারি আদেশে বলা হয়েছে, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্দেশ্যে প্রকল্প গ্রহণের জন্য দেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের অনুকূলে মোট ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা অবমুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বরাদ্দের অর্থ তুলতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে ট্রেজারি রুলসের (টিআর) ফরম-৩২ অনুযায়ী বিল প্রস্তুত করতে হবে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) প্রতিস্বাক্ষর নিয়ে বিলটি উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।
আরো পড়ুন: ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি নিলেন প্রধানমন্ত্রী
অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। জেলা ও উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বিলের বিপরীতে অ্যাকাউন্ট পে চেক অথবা অ্যাডভাইস ইস্যু করা হবে।
আদেশ অনুযায়ী, জেলা কার্যালয় থেকে ইউনিয়ন পরিষদের পরিচালিত ব্যাংক হিসাবে চেকের মাধ্যমে অর্থ পাঠানো হবে। আর উপজেলা কার্যালয় থেকে পাঠানো অ্যাডভাইসের ভিত্তিতে সোনালী ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তর করবে।
এই অর্থের ব্যয় চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে নির্ধারিত মঞ্জুরি ও সংশ্লিষ্ট হিসাব খাতের বরাদ্দ থেকেই নির্বাহ করতে হবে। অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ‘ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০২১’ এবং ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫’ যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি আদেশে স্পষ্ট করা হয়েছে, নির্ধারিত প্রকল্প বাস্তবায়ন ছাড়া অন্য কোনো কাজে এই অর্থ ব্যয় করা যাবে না। বরাদ্দের অর্থ ব্যবহারে কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট বিল পরিশোধকারী আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তাকেই দায় নিতে হবে।
এ ছাড়া বরাদ্দ থেকে অব্যয়িত অর্থ আগামী ৩০ জুন ২০২৭-এর মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের এই অর্থ ছাড়ের বিষয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতিও রয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে অর্থ বিভাগ।
