চার দিন গ্যাসের স্বল্পচাপে ভুগবে সারা দেশ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
মহেশখালীর সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে আগামী ৪ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে গ্যাসের সরবরাহ কম থাকবে। এ সময় গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।
পেট্রোবাংলার জনসংযোগ বিভাগ রোববার (১ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী বুধবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত টার্মিনালটির রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। অর্থাৎ ৪৪ ঘণ্টা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পুনরায় গ্যাসে রূপান্তরের কাজ বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ কমে যাবে।
বর্তমানে দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৯২ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। সামিটের টার্মিনালের কার্যক্রম বন্ধ থাকলে এই সরবরাহ কমে দৈনিক ৬০ কোটি ঘনফুটে নেমে আসবে। ফলে প্রতিদিন প্রায় ৩২ কোটি ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ হবে।
পেট্রোবাংলা জানায়, গত বছরের ডিসেম্বরেও একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হয়েছিল।
দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ২৬৫ কোটি ঘনফুট। ফলে প্রতিদিন গ্যাসের ঘাটতি থাকছে প্রায় ১১৫ কোটি ঘনফুট।
সামিটের এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণের কারণে সরবরাহ আরও কমে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও আবাসিক খাতে গ্যাসের সংকট বাড়তে পারে।
সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।
পেট্রোবাংলার জনসংযোগ বিভাগ রোববার (১ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী বুধবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত টার্মিনালটির রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। অর্থাৎ ৪৪ ঘণ্টা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পুনরায় গ্যাসে রূপান্তরের কাজ বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ কমে যাবে।
বর্তমানে দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৯২ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। সামিটের টার্মিনালের কার্যক্রম বন্ধ থাকলে এই সরবরাহ কমে দৈনিক ৬০ কোটি ঘনফুটে নেমে আসবে। ফলে প্রতিদিন প্রায় ৩২ কোটি ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ হবে।
পেট্রোবাংলা জানায়, গত বছরের ডিসেম্বরেও একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হয়েছিল।
দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ২৬৫ কোটি ঘনফুট। ফলে প্রতিদিন গ্যাসের ঘাটতি থাকছে প্রায় ১১৫ কোটি ঘনফুট।
সামিটের এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণের কারণে সরবরাহ আরও কমে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও আবাসিক খাতে গ্যাসের সংকট বাড়তে পারে।
সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।
