×

রাজনীতি

আওয়ামী লীগ

এবার ধানমন্ডি কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি, স্লোগান

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম

এবার ধানমন্ডি কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি, স্লোগান

ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ১৮ মাস, পর আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ফটকের সামনে জাতীয় পতাকা ও বঙ্গবন্ধু ছবি নিয়ে ঝুলিয়েছে স্লোগান দিয়েছে যুব মহিলা লীগের একদল নেত্রী।

শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম বি কানিজসহ ১০ থেকে ১২ জন ধানমন্ডি ৩/এ সড়কের ৫১ নম্বর বাড়িটির সামনে যান। বাড়িটি আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হতো। 

তিন তলাবিশিষ্ট এই ভবনে দলীয় সবাপতি সাধারণ সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের জন্য বসার জন্য ব্যবহার হতো। দ্বিতীয় তলায় ছিল দলের মুখপত্র উত্তরণ পত্রিকার অফিস। এ ছাড়া তৃতীয় তলায় ছিল আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যক্রম চলতো। 

চব্বিশের ৫ আগস্ট পোড়ানোর পর, প্রায় বছরের বিরতি কাটিয়ে শুক্রবার সকালে ১০-১২ জনের যুব মহিলা নেত্রী বঙ্গবন্ধুর ছবি ও জাতীয় পতাকা নিয়ে উপস্থিত হন মূল ফটকের সামনে। সেখানে প্রথমে জাতীয় পতাকা ও বঙ্গবন্ধুর ছবি টাঙিয়ে দেয়। পরে তারা সেখানে স্লোগান দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।

যুব মহিলা লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমবি কানিজ বলেন, ‘বত্রিশ নম্বর সড়কসহ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে গত দেড় বছর ধরেই মিছিল করে আসছি, আমাদের সঙ্গের অনেকেই এখনও জেলে আছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সবসময় পুলিশের উপস্থিতির পাশাপাশি মব সন্ত্রাসীদের জন্য আসা কঠিন। আজকে যুব মহিলা লীগের নেতাকর্মীরা একটু রিস্ক নিয়েই গিয়েছি।’

প্রসঙ্গত, ২০০২ সাল থেকে এই ভবনটি আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছিল। প্রথমে এটি ভাড়া নেওয়া হয়। পরে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে ভবনটি দলের নামে কেনা হয়। এর পর ২০১৪ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর পাশের চার তলাবিশিষ্ট আরও দুটি ভবন কিনে দলীয় সভাপতির কার্যালয়টি সম্প্রসারণ করা হয়।

সে সময় ভবন দুটি বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে কেনা হয়। এই দুই ভবনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বিষয়ভিত্তিক সম্পাদকমণ্ডলীর নেতারা এবং কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্যরা বসতেন। এখানকার একটি কক্ষে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন প্রকাশনার প্রদর্শনী ও বিক্রির স্টল ছিল।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ের এই তিনটি ভবন আগুন লাগিয়ে ও ভাঙচুর করে সবকিছু গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। দলীয় সভাপতির কার্যালয়ের মূল ভবনের প্রবেশমুখে ইস্পাতের তৈরি মূল গেটসহ অন্য ভবনগুলোর প্রবেশপথের লোহা ও কাঠের গেট এবং সব দরজা-জানালা পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

ভবনটি পুড়িয়ে দেয়ার প্রায় ছয় মাস খানেক স্থানীয় কিছু নেশাগ্রস্ত যুবক আশ্রয়ের স্থান হিসেবে বেছে নেয়। আর স্থানীয় কিছু লোকজন ভবনটিকে ঘিরে বসে থাকতো। সারা দেশ থেকে আসা নেতাকর্মীদের কেউ আশপাশে আসলেই মব করে হাতিয়ে নিতো টাকা পয়সা, সবশেষ পুলিশ ডেকে ধরিয়ে দিতো। যার কারণে নেতাকর্মীরা সেখানে কম যাওয়া আসা করতো।

তবে কার্যালয়গুলোসহ সড়কে সার্বক্ষণিক একদল পুলিশ পাহারা দিচ্ছে দিয়ে আসছে।

ভেতরে প্রবেশের সুযোগ না হওয়ায়, মূল ফটকের সামনের রাস্তায় গত ২০২৪ সালের ১৫ আগস্টে খাবার বিতরণ করতে আসে মবের শিকার হয় বেশ কয়েকজন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

আমরা অন্ধ দলীয়করণে বিশ্বাসী নই: ভূমিমন্ত্রী মিনু

আমরা অন্ধ দলীয়করণে বিশ্বাসী নই: ভূমিমন্ত্রী মিনু

রাষ্ট্রপতি সংবিধানবিরোধী কাজ করলে তার শাস্তি হওয়া উচিত : নাহিদ ইসলাম

রাষ্ট্রপতি সংবিধানবিরোধী কাজ করলে তার শাস্তি হওয়া উচিত : নাহিদ ইসলাম

জনগণই সরকারের ক্ষমতার উৎস : মাহদী আমিন

জনগণই সরকারের ক্ষমতার উৎস : মাহদী আমিন

শিগগির রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা

ইসি মাছউদ শিগগির রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App