রনির স্ত্রী পরিচয় দেওয়া কে এই নারী
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনির স্ত্রী পরিচয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিতে যাচ্ছেন ফারজানা আফরোজ। তবে তাঁকে নিজের স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করেছেন রনি। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের (পিসি) এক সদস্য গণমাধ্যমকে জানান, ফারজানা আফরোজ দলটির নারী উইং ‘জাতীয় নারী শক্তি’র কেন্দ্রীয় পদে আসছেন।
এ খবর প্রকাশের পরপরই ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া জানান গোলাম মাওলা রনি। তিনি লেখেন, ‘এই মহিলা আমার স্ত্রী নন। সাতকানিয়া জামায়াত নেতা হারুনের সাবেক স্ত্রী। চট্টগ্রামের বিতর্কিত আওয়ামী লীগ নেতার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী।’
রনির এই বক্তব্যের পর ফারজানা আফরোজকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তাঁর পরিচয় সম্পর্কে জানতে আগ্রহ তৈরি হয় সাধারণ মানুষের মধ্যে।
গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফারজানা আফরোজের পরিচয়ের মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানের পদ। তাঁর বাবার নাম মো. কেফায়েত উল্লাহ এবং মায়ের নাম রোকেয়া বেগম। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত। তিনি স্কাইপ অ্যাসেটস প্রাইভেট লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী।
গোলাম মাওলা রনি ফারজানাকে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করলেও কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের কথোপকথনের একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। ওই অডিওতে ফারজানাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমার কথাতেই ওকে (ফারজানার প্রথম স্বামী) ছেড়েছি। তোমাকে আবার বিয়ে করেছি।’
জবাবে রনিকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার কথাতে কোনো কিছুই ছাড় নাই। তুমি তোমার প্রয়োজনেই আমাকে বিয়ে করছো এবং আমাকে যতটুকু ব্যবহার করার ততটুকুই করেছ।’
অডিওর আরেক অংশে ফারজানাকে বলতে শোনা যায়, ‘যখন বলেছো- ফোন দিও না, ফোন দিই নাই; টেক্সট দিও না, টেক্সট দিই নাই। স্টিল নাও আমি তোমার ওয়াইফ। আমি কি আমার হাজবেন্ডের কাছ থেকে এইটুকু আশা করতে পারি না যে, সে আমার সঙ্গে একটু যোগাযোগ করবে।’
এর উত্তরে রনি বলেন, ‘দেখো, জেসিকার কথামতো আমি তালাকটা উইথড্রো করছি তোমার সামাজিক ও নিজের প্রয়োজনে। কিন্তু তুমি যদি এসব ক্লেইম করো, এক সেকেন্ডও তোমার সঙ্গে কথা বলব না, এখন লাইনটা কেটে দেব।’
তবে ছড়িয়ে পড়া অডিওটি গোলাম মাওলা রনি ও ফারজানা আফরোজের কথোপকথনের কি না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি ভোরের কাগজ। ফলে অডিওটির সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
