×

প্রতিক্রিয়া

বসুন্ধরা-ট্রান্সকম দ্বন্দ্ব : গণমাধ্যমের চূড়ান্ত অপব্যবহার

Icon

ফেরদৌস আরেফীন

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ০৩:৪৩ পিএম

বসুন্ধরা-ট্রান্সকম দ্বন্দ্ব : গণমাধ্যমের চূড়ান্ত অপব্যবহার

ছবি: বসুন্ধরা-ট্রান্সকম দ্বন্দ্ব - গণমাধ্যমের চূড়ান্ত অপব্যবহার

বাংলাদেশের অর্থনীতি ও গণমাধ্যমের ইতিহাসে একটি দীর্ঘ ও কট্টর দ্বন্দ্বের নাম বসুন্ধরা গ্রুপ ও ট্রান্সকম গ্রুপের মধ্যকার দ্বন্দ্ব। দেশের অন্যতম বৃহৎ এই দুটি শিল্পগোষ্ঠীর মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিছক ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতার গণ্ডি পেরিয়ে তাদের মালিকানাধীন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমগুলোর সম্পাদকীয় নীতি ও প্রকাশিত সংবাদের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। এই দীর্ঘমেয়াদী দ্বন্দ্বের ফলে শুধু ব্যবসায়িক মহলই ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, বরং দেশের জনগণের নির্ভুল তথ্য পাওয়ার অধিকারও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। 

১৯৮৭ সালে আহমেদ আকবর সোবহানের হাত ধরে যাত্রা শুরু করা বসুন্ধরা গ্রুপ বাংলাদেশের একটি বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী। দেশের আবাসন শিল্পে এর নাম শীর্ষে। গ্রুপটির ব্যবসায়িক পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত, যার মধ্যে রয়েছে বসুন্ধরা শপিং মল, সিমেন্ট, রড, কাগজ, টিস্যু, এলপিজি, ইস্পাত ইত্যাদির উৎপাদন ও বিপণন। গণমাধ্যমে তাদের উপস্থিতি সুদৃঢ়, তাদের মালিকানায় রয়েছে দৈনিক কালের কণ্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন, এবং টেলিভিশন চ্যানেল নিউজ২৪-এর মতো প্রভাবশালী মাধ্যম।

অন্যদিকে, প্রয়াত লতিফুর রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ট্রান্সকম গ্রুপ দেশের আরেকটি শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী, যাদের ব্যবসা বিস্তৃত ইলেকট্রনিক্স, খাদ্য ও পানীয়, ওষুধ, চা, ভোগ্যপণ্য এবং গণমাধ্যমসহ ৯টি খাতে। গণমাধ্যম জগতে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী, দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী বাংলা দৈনিক প্রথম আলো এবং ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার-এর প্রকাশনা ট্রান্সকম গ্রুপের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। এই দুই পক্ষের হাতেই যখন দেশের জনমত গঠনের প্রধান হাতিয়ারগুলো কেন্দ্রীভূত, তখন তাদের দ্বন্দ্ব শুধু ব্যবসায়িক নয়, বরং এক জাতীয় সংকটের জন্ম দেয়।

বসুন্ধরা-ট্রান্সকম তিক্ত দ্বন্দ্বের স্পষ্ট সূত্রপাত ঘটে ২০০৯ সালে, একটি অগ্নিকাণ্ড ও পরবর্তী অনুসন্ধানী প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে। ২০০৯ সালের ১৩ মার্চ রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে, যাতে ৭ জন নিহত ও শতাধিক ব্যক্তি আহত হন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ট্রান্সকম গ্রুপের মালিকানাধীন দৈনিক প্রথম আলো একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যার শিরোনাম ছিল ‘বসুন্ধরাকে রক্ষায় রাষ্ট্রযন্ত্র মরিয়া’।

এই প্রতিবেদনটি বসুন্ধরা গ্রুপকে তীব্রভাবে ক্ষুব্ধ করে। এর প্রতিক্রিয়ায় বসুন্ধরা গ্রুপ কর্পোরেট দ্বন্দ্বের এক নতুন বাঁক তৈরি করে। তারা বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রথম আলো ও ট্রান্সকম গ্রুপের বিরুদ্ধে মানহানিকর ও অপমানজনক বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু করে, যা তৎকালীন সময়ে অভূতপূর্ব ঘটনা ছিল।

শুধু তাই নয়, বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে তারা ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান এবং ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের ছবিসংবলিত বিদ্বেষপূর্ণ পোস্টার লাগায়, যেখানে প্রথম আলোকে ‘দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে একটি কুশক্তি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং পত্রিকাটি নিষিদ্ধের দাবি জানানো হয়।

এই ঘটনাগুলো দ্রুত আইনি লড়াইয়ে রূপ নেয়। ট্রান্সকম ও প্রথম আলোর পক্ষ থেকে বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে ২০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। একইসঙ্গে, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ও ট্রান্সকম চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান নিরাপত্তাহীনতা ও হয়রানির শিকার হয়ে পুলিশে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন, যেখানে বলা হয়, ‘তাদের পরিবার ও ব্যবসার প্রতি হুমকি দেওয়া হচ্ছে’। ট্রান্সকম গ্রুপের লতিফুর রহমান সরাসরি অভিযোগ করেন, ‘শাহ আলম (আহমেদ আকবর সোবহান) বা তার পরিবারের সদস্যরা যে কোনো মিথ্যা মামলায় আমাকে বা আমার পরিবারকে জড়াতে পারেন বা আমাদের জানমালের ক্ষতি করতে পারেন।’

পরবর্তী বছরগুলোতে এই দ্বন্দ্ব বিভিন্নভাবে প্রকাশিত হতে থাকে। ২০২০ সালের ১ জুলাই ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান মারা গেলে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শোক প্রকাশ করলেও, দুই পক্ষের উত্তেজনা থেমে থাকেনি। ট্রান্সকমের অভ্যন্তরীণ পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের সংবাদমাধ্যমগুলোতে একের পর এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে থাকে।

দ্বন্দ্বের সর্বশেষ তীব্রতর রূপ দেখা যায় সম্প্রতি। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ট্রান্সকম গ্রুপ অভিযোগ করে যে, বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যমগুলো (বিশেষ করে কালের কণ্ঠ ও বাংলাদেশ প্রতিদিন) তাদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর’ সংবাদ প্রকাশ করছে। বিশেষ করে, ট্রান্সকমের সিইও সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১০০ কোটি টাকা ঘুষ দেওয়ার অভিযোগকে তারা ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে চিহ্নিত করে।

কালের কণ্ঠের ইউটিউব চ্যানেলে ‘ট্রান্সকম ইজরাইলের এজেন্ট’ শিরোনামে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়, যা ট্রান্সকমকে বর্জনের আহ্বান জানায়। এটি ছিল কর্পোরেট দ্বন্দ্বের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা।

এই দ্বন্দ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হলো, দুই পক্ষই তাদের মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যমকে একে অপরের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

কালের কণ্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ২৪-এ ট্রান্সকম গ্রুপকে প্রায়ই ‘জালিয়াত’, ‘প্রতারক’ এবং ‘ইসরাইলের এজেন্ট’ হিসেবে চিত্রিত করা হয়। ট্রান্সকমের পারিবারিক দ্বন্দ্ব, আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ এবং রাজনৈতিক সংযোগের বিষয়গুলো বারবার অতিরঞ্জিতভাবে প্রচার করা হয়। সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের-এর মতে, এটি একটি চালুনি কর্তৃক সুঁইকে বলা যে ‘তোমার পেছনে একটা ফুঁটো কেন?’ অর্থাৎ, নিজেদের ভুল ঢাকতে প্রতিপক্ষের ছোটখাটো বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করা।

অপরদিকে, প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কিছুটা অন্যভাবে কাজ করে। তারা প্রায়ই বসুন্ধরা গ্রুপের ভূমি দখল, ঋণ জালিয়াতি, অর্থ পাচার, এবং রাজনৈতিক সংযোগের সমালোচনা করে থাকে। তাদের প্রতিবেদনে বসুন্ধরাকে ‘রাষ্ট্রের ভেতরে আরেক রাষ্ট্র’ হিসেবে চিত্রিত করা হয়। এই পত্রিকাগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সুর ও পরিমাণ দেখে মনে হয়, তারা বসুন্ধরাকে দেশের অর্থনৈতিক ও আইনি শৃঙ্খলার জন্য এককভাবে হুমকি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।

দুই পক্ষের এই সংবাদ মাধ্যমগুলোর পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ এতটাই স্পষ্ট যে, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিশ্লেষকরাও এটিকে একটি পাঠ্যপুস্তকীয় উদাহরণ হিসেবে দেখেন। আন্তর্জাতিক বুদ্ধিচর্চা গ্রুপ ফোকাস-এর আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বলেছেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যম প্রায়ই তাদের মালিকের রাজনৈতিক পরিচয় ও ব্যবসায়িক স্বার্থের পক্ষে পক্ষপাতমূলক আচরণ করে।

বসুন্ধরা-ট্রান্সকম দ্বন্দ্ব শুধু কলমের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা রাষ্ট্রীয় আইনি ও রাজনৈতিক কাঠামো পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ততার সূত্র ধরে উভয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধেই নানা সময়ে অভিযোগ ওঠেছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৪ সালের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর উভয় গ্রুপই একাধিক আইনি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর থেকেই বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে তদন্ত জোরদার হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পুলিশের সিআইডি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড -সকলেই গ্রুপটির মালিকদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও কর ফাঁকির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে। এমনকি, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এমডির বিরুদ্ধে দেশের বাইরে অর্থ পাচার ও সোনা চোরাচালান সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। একাধিক মামলায় তাদের ব্যাংক হিসাব ও শেয়ার জব্দ করা হয়।

একই সময়ে, ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১০০ কোটি টাকা ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে দুদক অনুসন্ধান শুরু করে। পাশাপাশি, ট্রান্সকমের অভ্যন্তরীণ পারিবারিক দ্বন্দ্ব নতুন করে প্রকাশিত হয়ে গ্রুপটির ভাবমূর্তি ও ব্যবসায়িক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে।

এমন পরিস্থিতি ইঙ্গিত করে যে, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের সমাধান না করে বরং রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ঢেউয়ে গা ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা পুরো কর্পোরেট খাতের জন্যই একটি নেতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

দুই মিডিয়া জায়ান্টের এই দ্বন্দ্বের সবচেয়ে বড় শিকার হয়েছে দেশের জনগণ, বিশেষ করে সংবাদপত্রের সাধারণ পাঠক এবং নাগরিক সমাজ।  যখন পাঠক জানেন যে একটি পত্রিকা তার মালিকপক্ষের ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে একতরফা সংবাদ প্রকাশ করছে, তখন সেই সংবাদমাধ্যমের প্রতি তাদের আস্থা ভেঙে যায়। ফলে দেশের সমগ্র গণমাধ্যম জগৎই একটি বিশ্বাসযোগ্যতা সংকটে পড়েছে, যা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত হুমকিস্বরূপ।

আবার, দুই পক্ষের পত্রিকা একই ঘটনার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র তুলে ধরে। এতে করে জনগণ প্রকৃত সত্য জানতে না পেরে বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে। কোন ঘটনা কতটুকু সত্য এবং কতটুকু অতিরঞ্জিত বা মিথ্যা, তা নির্ধারণ করাই জনগণের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে।

এসবের ফলে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুগুলো (অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ) উপেক্ষিত হয়ে যায়। পাঠকের মনোযোগ ঘোরানোর জন্য এই পত্রিকাগুলো ক্রমাগত একে অপরের সমালোচনা ও ব্যক্তিগত আক্রমণে লিপ্ত থাকে, যা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চরম পরিপন্থী।

সবচেয়ে বড় কথা, দুই ব্যবসায়ী গ্রুপের এই দ্বন্দ্ব বাংলাদেশের পুরো ব্যবসায়িক পরিবেশকে বিষাক্ত করে তুলেছে। এটি প্রমাণ করে যে, নীতি-নৈতিকতা ও গঠনমূলক প্রতিযোগিতার পরিবর্তে ব্যক্তিগত আক্রোশ ও ক্ষমতার অপব্যবহারই এখানে মুখ্য হয়ে উঠেছে। এর প্রভাব দেশের বিনিয়োগ পরিবেশেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বসুন্ধরা গ্রুপ ও ট্রান্সকম গ্রুপের মধ্যকার এই দ্বন্দ্ব বাংলাদেশের পুঁজিবাদী অর্থনীতি ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর এক গভীর দুর্বলতাকে উন্মোচিত করেছে। যেখানে সংবাদমাধ্যমের মতো একটি মহান পেশা ও জাতীয় প্রতিষ্ঠান দুই ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ারে পরিণত হয়, সেখানে দেশ ও জনগণের জন্য সত্যটা অধরাই থেকে যায়। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এই দ্বন্দ্ব থেকে বেরিয়ে আসার পথ একটাই- এবং তা হলো, সংবাদমাধ্যমের মালিকানা ও সম্পাদকীয় নীতির মধ্যে একটি সুস্পষ্ট ও অনমনীয় দেয়াল তোলা। অন্যথায়, পাঠক হিসেবে আমরা চিরকালই এক পক্ষের ‘কালো’ আরেক পক্ষের কাছে ‘সাদা’ হয়ে ধরা দেওয়ার বিভ্রান্তির মধ্যেই নিমজ্জিত থাকব। এই দ্বন্দ্বের নিষ্পত্তি না হলে দেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও নাগরিকের তথ্য জানার অধিকার সবকিছু মুখ থুবড়ে পড়বে ক্ষমতা ও অর্থের অসুস্থ প্রতিযোগিতার কাছে।

লেখক: সাংবাদিক, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের আজীবন সদস্য

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

কাল যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না

কাল যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না

রামিসা হত্যার চার্জশিট দাখিল

রামিসা হত্যার চার্জশিট দাখিল

এবারের কান উৎসবে বিজয়ী হলেন যারা

এবারের কান উৎসবে বিজয়ী হলেন যারা

‘হরমুজ পারমাণবিক চেয়েও অস্ত্রের বড়’

‘হরমুজ পারমাণবিক চেয়েও অস্ত্রের বড়’

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App