হবিগঞ্জে যাওয়ার পথে
শ্রীমঙ্গলে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহর আটকে দিয়েছে পুলিশ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের বহর শ্রীমঙ্গলের চা-কন্যা এলাকায় আটকে দিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকাল ৪টার কিছু আগে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস থেকে নেতাদের বহনকারী গাড়ির বহর হবিগঞ্জের পথে যাত্রা শুরু করে। প্রায় আধা ঘণ্টা পর শ্রীমঙ্গলের চা-কন্যা এলাকায় তাদের থামিয়ে দেয় পুলিশ।
এনসিপির বহরে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা রয়েছেন।

এর আগে মঙ্গলবার হবিগঞ্জে কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ করে এনসিপি। ওই ঘটনায় দলটির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।
আরো পড়ুন: ইসির সঙ্গে বৈঠকে জামায়াতের ৯ দফা দাবি
এ ঘটনার জেরে বিএনপি ও এনসিপির মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে বুধবার সকাল থেকে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে জেলা প্রশাসন।
হবিগঞ্জের এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ সীমান্ত এলাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সবাই সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলের সামনে পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে এনসিপি নেতাদের বহনকারী গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় সাংবাদিকদের কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। হামলার মধ্যে সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিরাপত্তার জন্য সোনালী ব্যাংকের একটি শাখায় আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে মৌলভীবাজারে নিয়ে যায়, যেখানে তারা রাতযাপন করেন।
এদিকে, বুধবার এনসিপি তাদের পূর্বঘোষিত মৌলভীবাজারের দুটি ‘জুলাই পদযাত্রা’ স্থগিত করে হবিগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ঘোষণা দেয়। একই দিনে জেলা বিএনপি ও ছাত্রদলের পৃথক কর্মসূচিকে ঘিরেও শহরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।
