×

সম্পাদকীয় ও মুক্তচিন্তা

প্রযুক্তি ও পাঠশালার মেলবন্ধন

বাংলাদেশের শিক্ষাবিপ্লবে ব্লেন্ডেড লার্নিং

Icon

মোহাম্মদ শাহজামান শুভ

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের শিক্ষাবিপ্লবে ব্লেন্ডেড লার্নিং

একবিংশ শতাব্দীকে বলা হয় জ্ঞান, তথ্য ও প্রযুক্তির শতাব্দী। পৃথিবীর প্রতিটি ক্ষেত্রের মতো শিক্ষাব্যবস্থাও এই পরিবর্তনের বাইরে নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট, ক্লাউড প্রযুক্তি, ভার্চুয়াল যোগাযোগ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম শিক্ষার ধারণাকেই বদলে দিয়েছে। একসময় শিক্ষা বলতে যেখানে শুধুমাত্র শ্রেণিকক্ষ, ব্ল্যাকবোর্ড ও পাঠ্যবইকে বোঝানো হতো, আজ সেখানে যুক্ত হয়েছে অনলাইন লেকচার, ডিজিটাল কনটেন্ট, ভার্চুয়াল ক্লাসরুম এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ শিক্ষণ ব্যবস্থা। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা- ‘ব্লেন্ডেড লার্নিং’ বা ‘মিশ্রিত শিক্ষণ পদ্ধতি’।

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে শিক্ষার বিস্তার, গুণগত মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ব্লেন্ডেড লার্নিং একটি সম্ভাবনাময় পথ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বকে শিখিয়ে দিয়েছে যে, শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে শুধু প্রচলিত শ্রেণিকক্ষের ওপর নির্ভরশীল থাকলে চলবে না। সংকটের সময় শিক্ষা চালিয়ে নেয়ার জন্য প্রযুক্তিনির্ভর বিকল্প ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে হবে। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে আজ বাংলাদেশেও ব্লেন্ডেড লার্নিং নিয়ে নতুন করে ভাবা হচ্ছে।

ব্লেন্ডেড লার্নিং মূলত এমন একটি শিক্ষণ পদ্ধতি, যেখানে মুখোমুখি শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা এবং অনলাইন বা ডিজিটাল শিক্ষা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। এটি কেবল অনলাইন শিক্ষা নয়, আবার শুধুমাত্র শ্রেণিকক্ষনির্ভর শিক্ষাও নয়। বরং উভয় ব্যবস্থার ইতিবাচক দিকগুলোকে একত্রিত করে একটি কার্যকর ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলাই এর মূল লক্ষ্য। একজন শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের কাছ থেকে সরাসরি পাঠ গ্রহণ করতে পারে, আবার একইসঙ্গে বাড়িতে বসে ভিডিও লেকচার দেখতে পারে, অনলাইন কুইজে অংশ নিতে পারে কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে।

বিশ্বব্যাপী ব্লেন্ডেড লার্নিংয়ের জনপ্রিয়তা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। উন্নত দেশগুলোতে বহু বছর ধরে এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হলেও সা¤প্রতিক সময়ে উন্নয়নশীল দেশগুলোও এর গুরুত্ব উপলব্ধি করতে শুরু করেছে। কারণ আধুনিক শিক্ষা কেবল তথ্য মুখস্থ করার বিষয় নয়; বরং সমস্যা সমাধান, সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা অর্জনের বিষয়। ব্লেন্ডেড লার্নিং এই দক্ষতাগুলো বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা আরো বেশি। দেশের জনসংখ্যা বিপুল, শিক্ষার্থীর সংখ্যা কোটি কোটি। একইসঙ্গে রয়েছে শিক্ষক সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং অঞ্চলভেদে শিক্ষার মানের বৈষম্য। রাজধানী ঢাকা বা বড় শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যেখানে তুলনামূলক ভালো সুযোগ-সুবিধা পায়, সেখানে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক শিক্ষার্থী এখনো মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। ব্লেন্ডেড লার্নিং এই বৈষম্য কমানোর একটি কার্যকর মাধ্যম হতে পারে।

তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি বাস্তব চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামো আগের তুলনায় অনেক উন্নত হলেও এখনো শহর ও গ্রামের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য ডিজিটাল বিভাজন বিদ্যমান। অনেক এলাকায় উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ নেই, বিদ্যুৎ সরবরাহও নিয়মিত নয়। শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশের কাছে ব্যক্তিগত কম্পিউটার বা ট্যাবলেট নেই। স্মার্টফোন থাকলেও দীর্ঘ সময় ধরে ছোট পর্দায় পড়াশোনা করা সহজ নয়। ফলে প্রযুক্তির প্রাপ্যতা এখনো একটি বড় প্রশ্ন।

ডিভাইসের পাশাপাশি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অর্থনৈতিক সক্ষমতা। অনেক পরিবারের পক্ষে নিয়মিত ইন্টারনেট ডেটা কেনা বা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের খরচ বহন করা কঠিন। শিক্ষার সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে হলে এই বাস্তবতাগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। অন্যথায় ব্লেন্ডেড লার্নিং শিক্ষাগত বৈষম্য কমানোর পরিবর্তে কখনো কখনো তা বাড়িয়েও দিতে পারে।

শিক্ষকদের প্রস্তুতিও এই পদ্ধতির সফলতার অন্যতম শর্ত। প্রযুক্তি যত উন্নতই হোক, শিক্ষকের ভূমিকার বিকল্প নেই। বরং ব্লেন্ডেড লার্নিংয়ে শিক্ষকের ভূমিকা আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ তাকে শুধু পাঠদান নয়, বরং ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি, অনলাইন ক্লাস পরিচালনা, শিক্ষার্থীদের ভার্চুয়াল মূল্যায়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার পরিবেশ ব্যবস্থাপনার কাজও করতে হয়। দেশের বহু শিক্ষক এখনো এই দক্ষতাগুলো অর্জনের পর্যাপ্ত সুযোগ পাননি। ফলে ব্যাপক প্রশিক্ষণ ও পেশাগত উন্নয়ন কর্মসূচি ছাড়া ব্লেন্ডেড লার্নিং বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে।

তবুও এই পদ্ধতির সম্ভাবনা এতটাই ব্যাপক যে এর গুরুত্ব অস্বীকার করার সুযোগ নেই। ব্লেন্ডেড লার্নিংয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি শিক্ষাকে আরো নমনীয় ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক করে তোলে। প্রচলিত শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক একটি নির্দিষ্ট গতিতে পাঠদান করেন, কিন্তু সব শিক্ষার্থী একই গতিতে শেখে না। কেউ দ্রুত বোঝে, কেউ ধীরে। অনলাইন উপকরণ ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থী নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী বারবার পাঠ দেখতে পারে, অতিরিক্ত অনুশীলন করতে পারে এবং নিজের শেখার গতি নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

এই পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মনিয়ন্ত্রণ ও স্বশিক্ষার অভ্যাস গড়ে তুলতেও সহায়তা করে। আধুনিক বিশ্বে জ্ঞান প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। একজন মানুষকে সারাজীবন শিখতে হয়। ব্লেন্ডেড লার্নিং শিক্ষার্থীদের এমন দক্ষতা শেখায়, যা তাদের ভবিষ্যতের জীবনব্যাপী শিক্ষার জন্য প্রস্তুত করে।

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্যও ব্লেন্ডেড লার্নিং একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করে। অনেক শিক্ষার্থী শারীরিক প্রতিবন্ধকতা, দূরত্ব কিংবা স্বাস্থ্যগত কারণে নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না। অনলাইন শিক্ষার সুবিধা তাদের শিক্ষা গ্রহণের সুযোগকে আরো সহজ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলে। একইভাবে দুর্গম চরাঞ্চল, পাহাড়ি অঞ্চল বা উপকূলীয় এলাকার শিক্ষার্থীরাও ডিজিটাল মাধ্যমের সাহায্যে উন্নতমানের শিক্ষা উপকরণে প্রবেশাধিকার পেতে পারে।

বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে শিক্ষা ডিজিটালাইজেশনের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ কর্মসূচির আওতায় দেশের বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। অনলাইন শিক্ষার জন্য বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম চালু হয়েছে। ‘মুক্তপাঠ’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে বিভিন্ন কোর্সে অংশগ্রহণ করতে পারছে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাধ্যমে পাঠ স¤প্রচারও ছিল শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ।

উচ্চশিক্ষা খাতেও ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে হাইব্রিড বা ব্লেন্ডেড পদ্ধতিতে ক্লাস পরিচালনা করছে। মুডল, গুগল ক্লাসরুম, জুম, মাইক্রোসফট টিমস-এর মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে শিক্ষাদান ও মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব উদ্যোগ ভবিষ্যতের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করছে।

তবে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কিছু নতুন সমস্যাও সামনে এসেছে। দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে চোখের সমস্যা, মানসিক চাপ এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা বিনোদনমূলক কনটেন্টে বেশি সময় ব্যয় করে পড়াশোনায় মনোযোগ হারাচ্ছে। এছাড়া অনলাইন পরিবেশে একাডেমিক সততা বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মূল্যায়ন করাও একটি চ্যালেঞ্জ।

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়গুলোও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অনেক পরিবার এখনো প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রতি পুরোপুরি আস্থাশীল নয়। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় অনেক অভিভাবক মনে করেন, বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে শেখাই প্রকৃত শিক্ষা। এই মানসিকতা পরিবর্তনের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সফল উদাহরণ তুলে ধরা জরুরি।

মেয়েদের শিক্ষার ক্ষেত্রেও ব্লেন্ডেড লার্নিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক প্রতিবন্ধকতা বা পারিবারিক সীমাবদ্ধতার কারণে মেয়েদের শিক্ষাজীবন ব্যাহত হয়। প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা তাদের জন্য বিকল্প সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তবে একই সঙ্গে অনলাইন নিরাপত্তা, সাইবার হয়রানি এবং ডিজিটাল সুরক্ষার বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

বাংলাদেশে ব্লেন্ডেড লার্নিংকে সফল করতে হলে প্রথমেই অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। সাশ্রয়ী মূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্রডব্যান্ড সংযোগ স¤প্রসারণ করতে হবে। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য ডিভাইস সহায়তা কর্মসূচি চালু করা যেতে পারে। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলোকে স্থানীয় শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে আরো কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব।

একইসঙ্গে শিক্ষক প্রশিক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি শিক্ষকদের ডিজিটাল শিক্ষণ কৌশল, অনলাইন মূল্যায়ন এবং কনটেন্ট উন্নয়নের বিষয়ে দক্ষ করে তুলতে হবে। শিক্ষকদের জন্য ধারাবাহিক পেশাগত উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করা জরুরি।

বাংলা ভাষায় মানসম্মত ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশি কনটেন্টের অনুবাদের ওপর নির্ভর না করে দেশের সংস্কৃতি, সমাজ ও বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষাসামগ্রী তৈরি করতে হবে। স্থানীয় উদাহরণ ও প্রেক্ষাপটভিত্তিক উপকরণ শিক্ষার্থীদের শেখাকে আরো অর্থবহ করে তুলবে।

মূল্যায়ন ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আনতে হবে। শুধুমাত্র লিখিত পরীক্ষার ওপর নির্ভর না করে প্রকল্পভিত্তিক কাজ, অনলাইন কুইজ, দলীয় কার্যক্রম এবং বাস্তব সমস্যা সমাধানের দক্ষতাকে মূল্যায়নের আওতায় আনতে হবে। এতে শিক্ষার্থীরা মুখস্থনির্ভরতার পরিবর্তে দক্ষতা ও প্রয়োগভিত্তিক শিক্ষা লাভ করবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ব্লেন্ডেড লার্নিংকে প্রযুক্তিগত প্রকল্প হিসেবে নয়, বরং শিক্ষার একটি সামগ্রিক সংস্কার কর্মসূচি হিসেবে দেখতে হবে। এটি শুধু কম্পিউটার বা ইন্টারনেটের বিষয় নয়; বরং শেখার পদ্ধতি, শিক্ষকতার ধরন, মূল্যায়ন ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীর ভূমিকার একটি মৌলিক পরিবর্তন।

বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। একটি জ্ঞানভিত্তিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিসমৃদ্ধ জাতি গড়ে তুলতে হলে শিক্ষার আধুনিকায়নের বিকল্প নেই। ব্লেন্ডেড লার্নিং সেই আধুনিকায়নের একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। যথাযথ পরিকল্পনা, বিনিয়োগ, প্রশিক্ষণ এবং সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে এই পদ্ধতি দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক, কার্যকর এবং ভবিষ্যতমুখী করে তুলতে পারে।

শিক্ষার ভবিষ্যৎ কেবল শ্রেণিকক্ষের চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আবার শুধুমাত্র অনলাইন জগতেও নয়। ভবিষ্যতের শিক্ষা হবে মানবিক স্পর্শ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার এক সুষম সমন্বয়। সেই সমন্বিত শিক্ষার পথই হলো ব্লেন্ডেড লার্নিং। বাংলাদেশের জন্য এটি শুধু একটি শিক্ষাপদ্ধতি নয়; বরং একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের দ্বার উন্মোচনের মাধ্যম।

মোহাম্মদ শাহজামান শুভ : লেখক ও শিক্ষক।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

‘দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে’

‘দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে’

ফেনী জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আর নেই

ফেনী জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আর নেই

‘হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে সরকার’

‘হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে সরকার’

৪ দিনেই ১০০ কোটির ক্লাবে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’

৪ দিনেই ১০০ কোটির ক্লাবে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App