×

প্রথম পাতা

চা শিল্পে নতুন আশার আলো

Icon

বিকুল চক্রবর্তী, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) থেকে

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

চা শিল্পে নতুন আশার আলো

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানিমুখী কৃষিভিত্তিক শিল্প চা। উৎপাদন বৃদ্ধি, গুণগত মান উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ চা বোর্ডের ধারাবাহিক উদ্যোগ ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল দিতে শুরু করেছে। অনুকূল আবহাওয়া, বাগান ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং চা বোর্ডের নিবিড় তদারকির কারণে চলতি মৌসুমে চায়ের উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের শ্রীমঙ্গলস্থ প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন চা বাগান থেকে প্রাপ্ত উৎপাদন প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫.১২ মিলিয়ন কেজি বেশি চা উৎপাদন হয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত উৎপাদন ছিল ৩.৯৫ মিলিয়ন কেজি, যা ২০২৬ সালের এপ্রিল শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.০৭ মিলিয়ন কেজিতে।

চা বিজ্ঞানী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, মৌসুমের বাকি সময় আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি বছরে ১০৪ মিলিয়ন কেজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করা সম্ভব হবে।

গুণগত মানে ‘নো কম্প্রোমাইজ’ : বাংলাদেশ চা বোর্ডের শ্রীমঙ্গলস্থ প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের পরিচালক ড. এ কে এম রফিকুল হক বলেন, চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গুণগত মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে চা বোর্ডের চেয়ারম্যানের নির্দেশনা হলো ‘নো কম্প্রোমাইজ’।

তিনি জানান, উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি রপ্তানি বাড়াতে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ চা বোর্ড বেশ কিছু কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে, যার সুফল মিলতে শুরু করেছে। যদিও মে ও জুন মাসে দেশের বিভিন্ন বাগানকে খরা এবং রেড স্পাইডার আক্রমণের মতো প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে, তবুও উৎপাদন সন্তোষজনক রয়েছে। সব বাগানের তথ্য হাতে এলে পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরো স্পষ্ট হবে।

ড. রফিকুল হক বলেন, চা বোর্ড, বাগান মালিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শ্রমিক এবং সরকারের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের চা শিল্প এগিয়ে যাচ্ছে। অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদা বৃদ্ধির পরও প্রতিবছর চা রপ্তানিও বাড়ছে। গত বছর দেশ থেকে ১.৬৮ মিলিয়ন কেজি চা রপ্তানি হয়েছে। চলতি বছর আন্তর্জাতিক বাজার থেকে যে চাহিদা পাওয়া গেছে, তাতে রপ্তানি প্রায় দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মাঠ পর্যায়ে ইতিবাচক চিত্র : শ্রীমঙ্গলের জেরিন চা বাগানের ব্যবস্থাপক ও সিনিয়র প্লান্টার সেলিম রেজা চৌধুরী বলেন, উৎপাদন বাড়ানো এবং চায়ের মান ধরে রাখা এখন মালিকপক্ষের পাশাপাশি চা বোর্ডেরও অন্যতম অগ্রাধিকার। ফলে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় চা বোর্ডের তদারকি ও কার্যক্রম অনেক বেশি সক্রিয়।

শ্রীমঙ্গল মাজদিহি চা বাগানের চা শ্রমিক শিলা বাউরি ও শ্রীমঙ্গল ‘ফিনলে টি কোম্পানী’র শ্রমিক আল্পনা বাগতি বলেন, হাত ভরে পাতা তুলতে পারার আনন্দ একজন চা শ্রমিকের কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তবে উৎপাদন নির্ভর করে আবহাওয়ার ওপর। ভালো আবহাওয়া থাকলে যেমন উৎপাদন বাড়ে, তেমনি শ্রমিকদেরও কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। সময়মতো সেচ, সার প্রয়োগ, কীটনাশক ব্যবহার এবং নিয়মিত প্রুনিং করলে বাগান পাতায় ভরে যায়। এতে মালিকের লাভ হয়, আমরাও অতিরিক্ত মজুরি ও বোনাস পাই।

শ্রীমঙ্গল চাতালী চা বাগানের আরেক চা শ্রমিক রিতা সাঁওতাল জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর বাগানে পাতা বেশি এসেছে। মার্চ থেকেই পাতা তোলা শুরু হয়েছে। বর্তমানে একজন শ্রমিক প্রতিদিন গড়ে ৩০ কেজি পাতা সংগ্রহ করেন, কেউ কেউ ৭০ থেকে ৮০ কেজি পর্যন্তও তুলছেন। তিনি বলেন, ২৪ কেজি পাতা তুললেই দৈনিক হাজিরা নিশ্চিত হয়, এরপর অতিরিক্ত প্রতি কেজির জন্য আলাদা পারিশ্রমিক দেয়া হয়।

উৎপাদনে ৮-১০ শতাংশ বৃদ্ধি : বাংলাদেশীয় চা সংসদের সিলেট শাখার চেয়ারম্যান গোলাম মো. শিবলী বলেন, চলতি বছর চায়ের উৎপাদন সন্তোষজনক। মাঝখানে কিছু খরার প্রভাব না থাকলে উৎপাদন আরো বেশি হতে পারত। তার বাগানে গত বছরের জুন মাসের তুলনায় চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৮ থেকে ১০ শতাংশ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।

গবেষণা কেন্দ্রের কার্যক্রম : এ বিষয়ে বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিটিআরআই) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আব্দুল আজিজ বলেন, চায়ের গুণগত মান বজায় রাখা এবং উৎপাদন বৃদ্ধি করতে গবেষণা কেন্দ্র থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে দেশের প্রতিটি চা বাগান থেকে সংগৃহীত মাটির নমুনা দ্রুত পরীক্ষা করে সংশ্লিষ্ট বাগানকে মাটির উপযোগী সারের ধরন ও প্রয়োগবিধি সম্পর্কে পরামর্শ দেয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন রোগবালাই ও পোকামাকড় দমনে কোন ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়েও বৈজ্ঞানিক পরামর্শ প্রদান করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট ইতোমধ্যে ২৩টি অধিক ফলনশীল উন্নত চা ক্লোন এবং ৫টি উন্নত বীজজাত উদ্ভাবন করেছে। এসব জাত দেশের বিভিন্ন চা বাগানে সম্প্রসারণ ও রোপণে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এর ফলে চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি গুণগত মানও উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হচ্ছে।

আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক চা শিল্প গড়ার লক্ষ্য : বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি বলেন, বাংলাদেশের চা শিল্পকে আধুনিক, টেকসই এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, উৎপাদন বৃদ্ধি, গুণগত মান উন্নয়ন, নতুন আন্তর্জাতিক বাজার সৃষ্টি এবং চা শ্রমিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করাকে সমান গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, গবেষণা, উৎপাদন ও বিপণনে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের চা শিল্পকে আরো শক্তিশালী করা হচ্ছে।

বর্তমানে দেশে ১৭২টি চা বাগান এবং উত্তরাঞ্চলে প্রায় ৮ হাজার ক্ষুদ্র চা চাষি রয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, চা বাগান মালিকদের স্বার্থ বিবেচনায় চায়ের সর্বনিম্ন নিলাম মূল্য (ফ্লোর প্রাইস) ২৪৫ টাকা প্রতি কেজি নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে গড়ে চা বিক্রি হচ্ছে ২৭০ টাকার বেশি দামে। কিছু উন্নতমানের চা ৪০০ টাকারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

গবেষণা, প্রযুক্তি ও ক্ষুদ্র চা চাষে জোর : চা বোর্ডের চেয়ারম্যান জানান, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) ইতোমধ্যে ২৩টির বেশি অধিক ফলনশীল ও উন্নতমানের চা ক্লোন উদ্ভাবন করেছে। এসব জাত সম্প্রসারণের পাশাপাশি আধুনিক চাষাবাদ, রোগ-বালাই দমন, উন্নত প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং মান নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে।

নিয়মিত ‘টি টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল’ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাগান ব্যবস্থাপক ও কারখানার কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। পাশাপাশি জাতীয় চা দিবসে মানসম্মত চা উৎপাদনকারী বাগানকে পুরস্কৃত করা হচ্ছে।

উৎপাদন বাড়াতে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট ও বান্দরবানসহ সমতল এলাকায় ক্ষুদ্র চা চাষ সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ক্ষুদ্র চা চাষিদের প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি সেচ, সার ও কীটনাশকের সঠিক ব্যবহার এবং আধুনিক চাষাবাদে দিকনির্দেশনা দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটকে (বিটিআরআই) আরো আধুনিক, শক্তিশালী ও যুগোপযোগী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশ চা বোর্ড কাজ করছে। এ লক্ষ্যে চায়ে রাসায়নিক উপাদানের উপস্থিতি নির্ণয়ে গবেষণাগার সক্ষমতা আরো বাড়ানো, চা বাগানে প্রচলিত বিদ্যুতের বিকল্প হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ (সোলার) ব্যবহারের ফলে চায়ের গুণগত মানে কোনো প্রভাব পড়ে কিনা, সে বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি গবেষণাগারকে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক ল্যাবরেটরিতে উন্নীত করতে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি, যন্ত্রপাতি ও গবেষণা কার্যক্রম কীভাবে আরো সমৃদ্ধ করা যায়, তা নিয়েও কাজ চলছে। তার মতে, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নই দেশের চা শিল্পকে আরো প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করে তুলবে।

চা শ্রমিকদের দিকেও বিশেষ নজর : বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ আরো বলেন, চা শিল্পের টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নেও সরকার ও বাংলাদেশ চা বোর্ড সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। শ্রমিক ও তাদের পরিবারের শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, বাংলাদেশ চা বোর্ড শ্রমিক কল্যাণ তহবিল এবং বাংলাদেশ চা বাগান শ্রমিক শিক্ষা ট্রাস্ট-এর মাধ্যমে প্রতিবছর চা শ্রমিকদের সন্তানদের শিক্ষার মান উন্নয়নে বৃত্তি প্রদান, চা বাগানে বিদ্যালয় নির্মাণে সহায়তা, খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এছাড়া বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ তহবিল থেকে শ্রমিক ও তাদের পরিবারের জন্য শিক্ষা বৃত্তি, অসুস্থ শ্রমিকদের চিকিৎসা সহায়তা, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে চশমা প্রদান, মৃত্যুর পর দাফন-সৎকারের জন্য আর্থিক সহায়তা, মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তি এবং শ্রমিক পরিবারের সদস্যদের বিয়ের জন্য আর্থিক অনুদান দেয়া হচ্ছে।

চেয়ারম্যান বলেন, চা শ্রমিকদের কল্যাণ নিশ্চিত না হলে চা শিল্পের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি শ্রমিকদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দক্ষতা উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ চা বোর্ড ভবিষ্যতেও এসব কর্মসূচি আরো বিস্তৃত পরিসরে বাস্তবায়ন করবে।

রপ্তানি ও বাজার ব্যবস্থায় নতুন উদ্যোগ : বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের অর্থোডক্স ও গ্রিন টি’র ব্র্যান্ডিং এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণে কাজ করছে বাংলাদেশ চা বোর্ড। রপ্তানিকারকদের নগদ প্রণোদনা এবং শ্রেষ্ঠ রপ্তানিকারকদের সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম ও শ্রীমঙ্গল চা নিলাম কেন্দ্রে চালু হয়েছে ই-অকশন (ডিজিটাল নিলাম) ব্যবস্থা। গুণগত মানহীন চা বাজারে প্রবেশ রোধ, নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং কার্যক্রম জোরদার এবং ভেজাল ও অবৈধ চা বিক্রি ঠেকাতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ : চা শিল্পের টেকসই উন্নয়নের জন্য সিনিয়র টি প্লান্টার ও চা বিজ্ঞানীরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে- চা’কে কৃষিপণ্য হিসেবে ঘোষণা, ভ্যাট হ্রাস, ৪ শতাংশ সুদে কৃষিঋণ, রপ্তানিতে আরো বেশি প্রণোদনা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থায়ী জলাধার ও সেচব্যবস্থা গড়ে তোলা, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা ও দাম কমানো। পুনঃআবাদ ও ইনফিলিংয়ে বিশেষ সহায়তা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বাংলাদেশি চায়ের প্রচার, সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে সরকার-টু-সরকার চুক্তি এবং বিদেশে বাংলাদেশি হাইকমিশনের মাধ্যমে চা রপ্তানি সম্প্রসারণ।

আশাবাদী চা শিল্প : সংশ্লিষ্টদের মতে, উৎপাদন বৃদ্ধি, গুণগত মান উন্নয়ন, বাজার সম্প্রসারণ এবং সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগের ফলে দেশের চা শিল্প এখন একটি নতুন সম্ভাবনার সামনে দাঁড়িয়ে। মৌসুমের বাকি সময় আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর ১০৪ মিলিয়ন কেজিরও বেশি চা উৎপাদনের নতুন রেকর্ড গড়ার প্রত্যাশা করছেন চা শিল্প সংশ্লিষ্টরা।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ, জানবেন যেভাবে

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ, জানবেন যেভাবে

৫ দিনের ছুটিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

৫ দিনের ছুটিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধসে তিন দিনে ২২ জনের প্রাণহানি

টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধসে তিন দিনে ২২ জনের প্রাণহানি

লামায় ভয়াবহ পাহাড়ধসে ৫ জনের মৃত্যু

লামায় ভয়াবহ পাহাড়ধসে ৫ জনের মৃত্যু

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App