×

প্রথম পাতা

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র লড়াই, বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা

Icon

মিলিতা বাড়ৈ মুন্নি

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র লড়াই, বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি। গত সোমবার এ ঘোষণা দেয় গোষ্ঠীটি। তবে এই অবরোধকে ‘নৌ-দস্যুতা’ ও আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। নিজেদের বাণিজ্যিক জাহাজ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে দেশটি। এর মধ্য দিয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ আরো বিস্তৃত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যে নতুন ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে আরেক দফায় বেড়েছে তেলের দাম।

এমন পরিস্থিতিতে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোও। গত সোমবার পর্যন্ত টানা দশম রাতের মতো ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত সোমবার ভোরে এক্সে এক পোস্টে মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করে, তাদের হামলায় ইরানের সামরিক কমান্ড সেন্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র, সামুদ্রিক সক্ষমতা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং যোগাযোগ নেটওয়ার্ক লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হামলা অব্যাহত রেখেছে তেহরান।

এক সপ্তাহের ওপরে চলমান পাল্টাপাল্টি হামলায় ইরানে অন্তত ৫০ জন নাগরিক নিহত হয়েছেন। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ধারাবাহিক এই হামলায় আরো পাঁচ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। মার্কিন সেনা হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে।

গত মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ‘আগ্রাসনকারী’ মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন নাসর ২’ পরিচালনা করছে আইআরজিসি। সেই অভিযানের আওতায় জর্ডানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আল-রুকবান এলাকায় অবস্থিত মার্কিন সেনাদের একটি আবাসিক কমপ্লেক্স লক্ষ্য করে হামলা পরিচালনা করা হয়েছে।

আইআরজিসি বলেছে, ‘আমাদের অভিযান সফল হয়েছে। জর্ডানের আল-রুখবার আবাসিক কমপ্লেক্সে বহুসংখ্যক মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে।’ তবে মঙ্গলবার রাত ৮টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় মার্কিন সেনা নিহতের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা জর্ডান কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

এর আগে গত শনিবার উত্তর ইরাকে একটি ভূপাতিত ইরানি একমুখী (ওয়ান-ওয়ে) আক্রমণাত্মক ড্রোনের অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ ধ্বংস করার সময় একজন মার্কিন সেনা নিহত হন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে সেন্টকম। এ ছাড়া গত শুক্রবার জর্ডানে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় আরো অন্তত দুই মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হন। সোমবার মার্কিন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন, হাওয়াইয়ের ২৫ বছর বয়সী লেফটেন্যান্ট টাইলার জেমস ফিহান এবং টেক্সাসের ১৯ বছর বয়সী প্রাইভেট ইসাবেলা গনজালেস গত ১৭ জুলাই মুয়াফফাক শালতি বিমানঘাঁটিতে ‘শত্রুপক্ষের হামলায়’ নিহত হন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলা যুদ্ধে সম্প্রতি প্রায় ১০০ মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। তবে এ সেনারা কীভাবে আহত হয়েছেন, তা প্রকাশ করেনি পেন্টাগন। গত সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া এক বিবৃতিতে পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল জানান, ৭ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১০০ সেনাসদস্য ‘কোনো না কোনো মাত্রায় আঘাত’ পেয়েছেন। তবে তাদের বড় অংশই সামান্য মস্তিষ্কের আঘাত বা কনকাশনে ভুগছেন। আহত সেনাদের ৯৬ শতাংশই ইতোমধ্যে নিজেদের দায়িত্বে ফিরে গেছেন।

এ অবস্থায় অভিযোগ উঠেছে, আহত সেনাদের সংখ্যা গোপন করছে পেন্টাগন। এ বিষয়ে আরেকটি পোস্টে পার্নেল লেখেন, আহত সেনাদের সংখ্যা লুকিয়ে রাখার ভিত্তিহীন ও বিদ্বেষমূলক অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। নিউইয়র্ক টাইমসের কিছু পক্ষপাতদুষ্ট লেখক মার্কিন সামরিক বাহিনী ও তার নেতৃত্বকে কালিমালিপ্ত করতে মরিয়া হয়ে এ মিথ্যাচার করছেন।

এর আগে সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমস তাদের এক প্রতিবেদনে অভিযোগ করেছে- মার্কিন সেনার আহত হওয়ার খবর জনগণের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখছে পেন্টাগন।

পেন্টাগনের কাছ থেকে এমন এক সময়ে এই বিবৃতি এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সেনা নিহত হলে ইরানকে তার জন্য ‘বহুগুণ’ মূল্য দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘যতবারই ইরান কোনো মার্কিন সৈন্যকে হত্যা করবে, ততবারই তাদের এ হত্যার জন্য বহুগুণ মূল্য দিতে হবে। এ নির্দেশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যানিয়েল কেইন ও সামরিক বাহিনীর প্রত্যেক নেতাকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘নিহত সেনারা লড়াই করছিলেন যাতে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে তেহরান।’

ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান অত্যন্ত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সামরিকভাবে তারা প্রায় সবকিছুই হারিয়েছে। ইরানের কাছে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র, কিছু ড্রোন এবং সামান্য উৎপাদন সক্ষমতা আছে, তবে তা খুব বেশি নয়।

অপরদিকে ট্রাম্পের এই হুমকিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না ইরান। এরই মধ্যে তেহরান ঘোষণা দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি স্থল আক্রমণ চালায়, তবে সেটিকে তারা ‘স্বাগত’ জানাতে প্রস্তুত।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, দেশটির নেতৃত্ব মার্কিন বাহিনীর সম্ভাব্য যেকোনো স্থল আগ্রাসনকে ‘স্বাগত জানাতে অপেক্ষার প্রহর গুনছে।’ তিনি বলেন, জুন মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির পাঠ ‘সম্পূর্ণ স্পষ্ট’ এবং ওয়াশিংটনের সেই চুক্তি লঙ্ঘনের ‘কোনো অজুহাত নেই।’

এদিকে হরমুজ প্রণালি নিয়ে এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, যত দিন এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অপকর্ম চলতে থাকবে, তত দিন হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল বন্ধ রাখা হবে। এ অঞ্চল থেকে এক ফোঁটা তেল-গ্যাস, এমনকি এক প্যাকেট রাসায়নিক সার বাইরে রপ্তানি করা হবে না।

এমন আবহে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বাব আল-মান্দেব প্রণালি অবরোধের হুমকি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এতে শঙ্কায় পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার। বিশ্লেষকদের মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ হয়ে গেলে সৌদির তেল রপ্তানি বড় ধরনের বাধার মুখে পড়তে পারে। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরো বেড়ে যেতে পারে।

ব্রিটিশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের (আরইউএসআই) জ্যেষ্ঠ গবেষক মাইকেল স্টিফেন্স বলেছেন, সামরিক হামলা চালিয়ে বাব আল-মান্দেব প্রণালিকে পুরোপুরি নিরাপদ করা সহজ হবে না। যদি বোমা হামলা চালিয়ে প্রণালিটি সহজে খুলে দেয়া যেত, তাহলে হরমুজ প্রণালির বর্তমান অচলাবস্থাও থাকত না। বাব আল-মান্দেব এখন আরো বেশি অনিরাপদ।

তিনি আরো বলেন, হুথিদের এই ঘোষিত অবরোধ কার্যকর হলে সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন থেকে ইয়ানবু বন্দরের মাধ্যমে তেল রপ্তানির পথ কার্যত বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এর ফলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল উৎপাদক দেশটির সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ অবস্থায় সৌদি তেলের ওপর নির্ভরশীল পশ্চিমা ও এশীয় দেশগুলো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরো সক্রিয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মূলত বর্তমান সময়ে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের একটি অস্থির সময় কাটছে। সম্প্রতি পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনাও ঘটেছে। এরই মধ্যে নতুন করে নৌ অবরোধ ঘোষণা করেছে হুথিরা। এ ঘটনাকে ‘নৌ-দস্যুতা’ ও আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন বলে সৌদি আরব জানিয়েছে, নিজেদের বাণিজ্যিক জাহাজ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে রিয়াদ।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৭০ শতাংশ লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর দিয়ে রপ্তানি করে সৌদি আরব। এখন হুথিরা বাব-এল-মান্দেব প্রণালি অবরোধ করলে দেশটিতে অর্থনীতি ও রাজস্ব আয়ে বড় বিপর্যয় নেমে আসবে। এ অবস্থায় এটা স্পষ্ট যে, হুথিদের ছেড়ে দিয়ে কথা বলবে না সৌদি আরব।

এদিকে সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের একটি দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে। চুক্তির বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী, সৌদি আরবের ওপর হামলা হলে পাকিস্তানকে বাধ্য হয়ে যুদ্ধে নামতে হতে পারে।

স¤প্রতি সৌদির সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর হুথিরা জানিয়েছিল, সৌদি আরব যদি ইয়েমেনে হামলা অব্যাহত রাখে, তবে তারাও সৌদির তেল স্থাপনা এবং বিমানবন্দরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে। তবে সোমবার হঠাৎই নৌ অবরোধের ঘোষণা দেয় হুথিরা।

এক বিবৃতিতে হুথি গোষ্ঠীটি জানায়, ‘চোখের বদলে চোখ’ নীতির ভিত্তিতে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে ‘নৌ অবরোধ’ কার্যকর করা হচ্ছে। তাদের দাবি, ইয়েমেনের ওপর সৌদি আরব যে ‘অন্যায় ও নিপীড়নমূলক অবরোধ’ আরোপ করেছে, তার জবাব হিসেবেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি হুথি-সৌদি আরব পাল্টাপাল্টি হামলার পর মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে, তারা সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইরানের মদদপুষ্ট হুথিদের যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে রিয়াদের পাশে আছে যুক্তরাষ্ট্র।

অন্যদিকে হাজারো পাকিস্তানি সেনাসদস্য এবং একটি যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন বর্তমানে সৌদি আরবে মোতায়েন রয়েছে। কিছুদিন আগে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) জরুরি বৈঠকে সৌদির নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষায় পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেছে ইসলামাবাদ। কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির (পাকিস্তান-সৌদি আরব) আওতায়, সা¤প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমানের সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব বৈঠক করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পাকিস্তানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, পাকিস্তানের শীর্ষ বেসামরিক ও সামরিক নেতৃত্ব ইরানকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে- সৌদি আরবের ওপর হামলাকে ইসলামাবাদ নিজেদের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করবে। তাদের ভাষায়, এটি পাকিস্তানের জন্য একটি ‘রেড লাইন’।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক তীব্র সংঘাত এবং ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা’ ভেঙে পড়ার কারণে পুরো মাত্রায় যুদ্ধের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। হুথিরা লোহিত সাগর বন্ধ করে দেয়ায় চুপ করে বসে থাকবে না সৌদি আরব। তাই এখন এই যুদ্ধে পাকিস্তানের জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ ফলে ইরান-হুথিদের বিরুদ্ধে হয়তো এক সঙ্গে লড়বে যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি আরব-পাকিস্তান।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

এক নজরে বিশ্বকাপজয়ী ১০ জন কনিষ্ঠ ফুটবলার

এক নজরে বিশ্বকাপজয়ী ১০ জন কনিষ্ঠ ফুটবলার

নিট ইস্যুতে আলোচনায় রাজি মোদী সরকার, প্রত্যাখ্যান কংগ্রেসের

নিট ইস্যুতে আলোচনায় রাজি মোদী সরকার, প্রত্যাখ্যান কংগ্রেসের

বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর কমিটি গঠন

বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর কমিটি গঠন

লেবাননে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ৪ লাখ ছাড়াল

জাতিসংঘের প্রতিবেদন লেবাননে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ৪ লাখ ছাড়াল

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App