হাম-ডেঙ্গুতে তিন জনের মৃত্যু
প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
ছবি: সংগৃহীত
দৈনিক ওঠা-নামার মধ্য দিয়ে বেড়ে চলছে হাম ও ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। দেশে হামের প্রাদুর্ভাব এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ১ জনের।
গতকাল বৃহস্পতিবার হামের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
হামের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১ জন সিলেট ও আরেকজন রংপুর বিভাগের। ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৮৩ জন শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ২৩৫ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে, আর ৮৪৮ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। একই সময়ে ৭৮৫ জন শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে ৮৯৪ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০৫ জনে। হামের উপসর্গ নিয়ে ৭১০ জন এবং নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৫ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২১ হাজার ২০০ জন। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৭৬ জনের। এ সময়ে মোট ১ লাখ ৩ হাজার ৮৬৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ১৮৮ জন চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন।
এদিকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি রংপুর বিভাগের। এই সময়ে ডেঙ্গুতে নতুন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৫০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৯৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে
৫১ জন, খুলনা বিভাগে ৬৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১১ জন, রংপুর বিভাগে ৪৪ জন ও বরিশাল বিভাগে ৬৪ জন রয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ১ হাজার ৭০ জন চিকিৎসাধীন আছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ১ জানুয়ারি থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১২ হাজার ২০ জন। ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১০ হাজার ৯১১ জন। আর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মোট ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
