×

শেষের পাতা

অনন্তলোকে ‘পাপেটম্যান’ সব্যসাচী এক শিল্পীর বিদায়

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

অনন্তলোকে ‘পাপেটম্যান’ সব্যসাচী এক শিল্পীর বিদায়

মুস্তাফা মনোয়ার ; যার রাজত্ব ছিল শিল্পের বহুধা শাখায়। চারুশিল্পী, নাট্যনির্দেশক, শিল্প গবেষক, বাংলাদেশে পাপেট চর্চার অন্যতম প্রাণপুরুষ-বহু পরিচয়ে পরিচিত তিনি। এক কথায় বলতে গেলে মুস্তাফা মনোয়ার একজন সব্যসাচী শিল্পী। সাদাকালো পর্দার যুগে তিনি কয়েক প্রজন্মের শৈশবের জাদুকর। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ছিল তার।

দীর্ঘদিন অসুস্থতার সঙ্গে লড়ে গতকাল সোমবার সকালে অনন্তলোকের পথ ধরেছেন দেশের গুণী এই নক্ষত্র। নিউমোনিয়াজনিত জটিলতা নিয়ে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি স্ত্রী মেরী মনোয়ার, ছেলে সাদাত মনোয়ার ও মেয়ে নন্দিনী মনোয়ারসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভাকাক্সক্ষী রেখে গেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ফুসফুসে মারাত্মক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ নিয়ে গত ১৪ জুন থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার। সে সময় তার রক্তচাপ ও অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ায় জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে দ্রুত আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রায় দুই সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। কিংবদন্তি এই শিল্পীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সর্বত্র নেমে আসে শোকের ছায়া। এই চিরবিদায়ের দিনে তার এমন অসংখ্য সাহসী, ঐতিহাসিক ও গৌরবময় অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন গণমাধ্যম ও দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষেরা। তারা বলছেন, মুক্তিসংগ্রাম ও শিল্পকলার ইতিহাসে তার এই আপসহীন ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা, বনানীতে দাফন

মুস্তাফা মনোয়ারের ছেলে সাদাত মনোয়ার জানান, গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদ থেকে গোসল সেরে দুপুর ১২ টায় শিল্পীকে নিজ বাসভবনে আনা হয়। সেখানে

বিকেল পর্যন্ত মরদেহ রাখা হয়। শিল্পীর পরিবার ও শুভাকাক্সক্ষীদের শ্রদ্ধা জানানোর পর হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে মরদেহ। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় মুস্তাফা মনোয়ারের মরদেহ সর্বপ্রথমে নেয়া হবে বিটিভি প্রাঙ্গণে।

সেখানে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে মরদেহ নিয়ে আসা হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সেখানে রাখা হবে। শহীদ মিনার থেকে মরদেহ নেয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে, সেখানে তার দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হবে। জানাজা শেষে মরদেহ আধা ঘণ্টার জন্য নেয়া হবে তার প্রিয় কর্মস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। সেখানে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন তার সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা। সবশেষে বিকেলে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে শিল্পীর মরদেহ।

সংক্ষিপ্ত জীবনী

মুস্তাফা মনোয়ার ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। এই গুণী শিল্পীর পারিবারিক ঐতিহ্যও ছিল বেশ সমৃদ্ধ; তার বাবা ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফা। মা জমিলা খাতুন ছিলেন গৃহিণী। মুস্তাফা মনোয়ার ছিলেন এই দম্পতির সর্বকনিষ্ঠ সন্তান। তার ডাক নাম ছিল মন্টু।

শৈশব থেকেই পারিবারিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আবহে বেড়ে উঠেছিলেন তিনি। ছেলেবেলা থেকেই বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর টান তৈরি হয়েছিল মুস্তাফা মনোয়ারের মনে। ১৯৫২ সালে তিনি যখন নারায়ণগঞ্জ হাইস্কুলের ক্লাস নাইনের ছাত্র, সে সময়েই তিনি প্রদিবাদী কিশোর। ভাষা আন্দোলন নিয়ে এঁকেছিলেন কার্টুন। ফলে পাকিস্তানি সরকারের রোষানলে পড়ে মাসখানেকে জেলে থাকতে হয়েছিল। ম্যাট্রিক পাস করে মুস্তাফা মনোয়ার চলে যান কলকাতায়, সেখানকার স্কটিশ চার্চ কলেজে বিজ্ঞানে ভর্তি হন। কিন্তু সেখানে তার ভালো লাগেনি। পরে ভর্তি হন কলকাতা চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ে। জলরঙে ভালো ছবি আঁকতেন মুস্তাফা মনোয়ার। আর্ট কলেজে পড়ার সময়ই কলকাতায় শিল্পী হিসেবে তার পরিচিতি তৈরি হতে থাকে। চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায় বলেছিলেন, মুস্তাফা মনোয়ারের আঁকা ছবি খুব অল্পতে কথা বলতে পারে। কলকাতার সেই দিনগুলোতে নাটকের দলের সঙ্গে কাজ করেছেন মুস্তাফা মনোয়ার। ওস্তাদ ফাইয়াজ খাঁর ছাত্র সন্তোষ রায়ের কাছে গান শিখতে শুরু করেছিলেন। শিল্পী নির্মলেন্দু চৌধুরীর দলে ছিলেন ৩ বছরের মতো। পরে মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতায় ওয়াহিদুল হক ও সন্?জীদা খাতুনের উদ্যোগে যে সাংস্কৃতিক দল গড়ে উঠেছিল, তাতে যোগ দিয়ে দেশাত্মবোধক গান গেয়েছেন এই চিত্রশিল্পী। ১৯৫৯ সালে কলকাতা চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয় থেকে ফাইন আর্টসে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন মুস্তাফা মনোয়ার। পরের বছর শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ডাকে সাড়া দিয়ে ঢাকায় এসে পূর্ব পাকিস্তান চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। ১৯৬৫ সালে মেরী মনোয়ারের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে সাদাত মনোয়ার ও এক মেয়ে নন্দিনী মনোয়ার। শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপ-মহাপরিচালক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (এফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া জনবিভাগ উন্নয়ন কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ও এডুকেশনাল পাপেট ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের প্রকল্প পরিচালকও ছিলেন তিনি। চিত্রকলার পাশাপাশি টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণ, শিশুতোষ বিনোদন এবং সাংস্কৃতিক বিকাশে তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন। এছাড়া দেশ-বিদেশের নানা সম্মাননা ও পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। এছাড়াও বর্ণিল কর্মজীবনে তিনি আরো অনেক পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৯০ সালে টিভি নাটকের জন্য টেনাশিনাস পদক, ১৯৯২ সালে চারুশিল্পে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ পুরস্কার, ১৯৯৯ সালে শিশু শিল্পকলা কেন্দ্র কিডস কালচারাল ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম কর্তৃক কিডস সম্মাননা পদক, ২০০২ সালে চিত্রশিল্প, নাট্য নির্দেশক এবং পাপেট নির্মাণে অবদানের জন্য শিশুকেন্দ্র থেকে বিশেষ সম্মাননা লাভসহ বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি।

শহীদ মিনারে ‘লাল সূর্যে’ অমর হয়ে থাকবেন মুস্তাফা মনোয়ার

একটি টিভি অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, ‘স্বাধীনতার পর ভেঙে ফেলা শহীদ মিনার নতুন করে গড়া হলো। এর পরের বছর আমি বলি যে আমি একা সাজাবো। অনেকে বলল, হাসপাতালের প্রাচীরটা উঁচু করে দিতে হবে। ওই দিকে হাসপাতালে নার্স-রোগীর স্বজনদের দেখা যায়। আমি বললাম- আমি একটা জিনিস করব কোনো দিকে চোখ যাবে না। গোল্ডেন সেকশন দিয়ে আমি সাইজটা বের করলাম যাতে সূর্যটা কতো বড় হবে। মুস্তাফা মনোয়ার বলেন, ‘সূর্যটা বানানো হলো। হুলুস্থূল দেখা গেল। লাইট দেয়ায় পর সেটি আরো ভালো দেখা গেল। পরে সারা বাংলাদেশে এটি ছড়িয়ে পড়ল। বাচ্চারা যে শহীদ মিনার বানাল তারা লালটা দেবেই। মানুষের মনে লাল সূর্যটা জায়গা করে নিল। তখনকার কর্মকর্তারা লাল বৃত্তটিকে স্থায়ীভাবে রাখতে বলেন। কিন্তু তিনি ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, ‘বসন্তকালে নতুন ফুল ফোটে। সৌরভ ছড়িয়ে একসময় সেই ফুল ঝরে যায়। বছর শেষে আবার সজীবতা নিয়ে আসে নতুন ফুল। সে কারণে ফেব্রুয়ারি এলে আমরা শহীদ মিনারে লাল বৃত্তটি লাগাব। এটা বিবর্ণ হয়ে গেলে আবার নতুন বছরে নতুন লাল বৃত্ত লাগাব।’ তার এ প্রস্তাবও পরবর্তীতে গ্রহণ করা হয়। সে থেকে প্রতি বছর ২০ ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারে নতুন লাল বৃত্ত যুক্ত করা হয়। শহীদ মিনারের ‘লাল সূর্যে’ অমর হয়ে থাকবেন মুস্তাফা মনোয়ার।

আগ্রহের জায়গা ছিল টেলিভিশন

নিজেকে কেবল চারুকলার গণ্ডিতে আটকে রাখেননি মুস্তাফা মনোয়ার। তার আগ্রহ এবং কাজের জায়গা ছিল টেলিভিশন। ১৯৬৫ সালে ডিআইটি ভবনে পাকিস্তান টেলিভিশনের ঢাকা কেন্দ্র চালু হলে চারুকলার চাকরি ছেড়ে সেখানে যোগ দেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার টেলিভিশনে যোগ দেওয়ার কারণ ছিল বৈরী সময়ে বাংলার সংস্কৃতিকে সামনে তুলে ধরা। তখন টেলিভিশনে দিনের অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে পতাকা ওড়ানো দেখানো হতো। ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ মুস্তাফা মনোয়ারসহ পিটিভি ঢাকা কেন্দ্রের কর্মকর্তারা ঠিক করলেন, পাকিস্তান দিবসে তারা পাকিস্তানের পতাকা টেলিভিশনে দেখাবেন না। সেজন্য তারা এক কৌশল করলেন। দিনের অনুষ্ঠানমালা শেষ হওয়ার কথা রাত ১০টায়। কিন্তু সেদিন তারা অনুষ্ঠান শেষ করতে রাত ১২টা পার করে দিলেন। ততক্ষণে তারিখ বদলে ২৪ মার্চ হয়ে গেছে। তখন পতাকা দেখিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করা হলো বটে, কিন্তু পাকিস্তান দিবসে তারা পাকিস্তানের পতাকা টেলিভিশনে দেখানো হলো না। ওই মাসেই টেলিভিশন থেকে ফজল-এ- খোদার রচনায় এবং আজাদ রহমানের সুরে ‘সংগ্রাম সংগ্রাম সংগ্রাম, চলবে দিনরাত অবিরাম’ গণসংগীতটি প্রচারিত হয়েছিল মুস্তাফা মনোয়ারের পরিচালনায়। গানটি গেয়েছিলেন দশজন শিল্পী, কিন্তু যখন গানটি প্রচারিত হয় তখন বাংলাদেশ টেলিভিশনের দর্শকদের কাছে মনে হয়েছিল যেন কয়েকশ’ শিল্পী একত্রে গানটি গাইছেন।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের ইতিহাসে মুস্তাফা মনোয়ারের অবদানও অনন্য। ১৯৭৩ সালে রবীন্দ্রনাথের রক্তকরবীর টেলিভিশন নাট্যরূপ দেন মুস্তাফা মনোয়ার। শেক্সপিয়রের টেমিং অব দ্য শ্রæ অবলম্বনে মুনীর চৌধুরীর অনুবাদ করা ‘মুখরা রমণী বশীকরণ’ নাটকটিও বিটিভিতে প্রচার হয়েছিল মুস্তাফা মনোয়ারের পরিচালনায়। যুক্তরাজ্যের গ্রানাডা টিভির ‘ওয়ার্ল্ড হিস্টি অব টিভি ড্রামা’র জন্য এই নাটক দুটি মনোনীত হয়েছিল।

এক পাপেটম্যান ও তার অনন্য অবদান

বাংলাদেশে পাপেটশিল্পকে জনপ্রিয় করে তোলার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান মুস্তাফা মনোয়ারের। ‘পাপেটম্যান’ হিসেবে পরিচিত মুস্তাফা মনোয়ারকে ছোটবেলায় গ্রামবাংলার পুতুলনাচ আকৃষ্ট করেছিল। তাকেই বাংলাদেশে পাপেট তৈরি ও কাহিনী সংবলিত পাপেট প্রদর্শনের পুরোধা বলা হয়।

কলকাতা আর্ট কলেজে পড়তে গিয়ে তিনি প্রথম ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের পাপেট দেখেন। পাপেট নিয়ে বহুদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তার আছে।

প্রথমবার তিনি তার নিজের পাপেট দলসহ বাংলাদেশের ফোক পাপেট দল ধনমিয়াকে নিয়ে মস্কো ও তাসখন্দ সফর করেন। সেখানে বাংলাদেশের ফোক পাপেট দারুণ প্রশংসিত হয়। ১৯৬০-৬১ সালে কলিম শরাফী তার একটি ডকুমেন্টারিতে মুস্তাফা মনোয়ারের পাপেটকে অন্তর্ভুক্ত করেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থীশিবিরে শিশুদের আতঙ্কগ্রস্ত মলিন চেহারা মুস্তাফা মনোয়ারকে ব্যথিত করে। তাই বাচ্চাদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সেই শরণার্থীশিবিরেই আয়োজন করেন পাপেট শো। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর নতুন আঙ্গিকে বাংলাদেশের শিল্পজগতে মুস্তাফা মনোয়ার মেলে ধরেন পাপেটের এক নতুন রূপ। তার অনবদ্য সৃষ্টি পাপেট চরিত্র ‘পারুল’ দেখে ইউনিসেফের র‌্যাচেল কার্নেগি উৎসাহিত হন; তৈরি হয় ‘মীনা’ চরিত্রটি।

টেলিভিশনে ‘আজব দেশে’ অনুষ্ঠানে নিয়মিতভাবে প্রদর্শনী হয় মুস্তাফা মনোয়ারের পাপেট চরিত্র ‘বাঘা’ ও ‘মেনি’। বাংলাদেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় শিশুতোষ অনুষ্ঠান ‘নতুন কুঁড়ি’-এর পরিকল্পনা ও নির্মাণে বরেণ্য এই চিত্রশিল্পীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। দ্বিতীয় সাফ গেমসের মাস্কট মিশুকের নির্মাতাও ছিলেন তিনি

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

‘দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে’

‘দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে’

ফেনী জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আর নেই

ফেনী জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আর নেই

‘হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে সরকার’

‘হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে সরকার’

৪ দিনেই ১০০ কোটির ক্লাবে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’

৪ দিনেই ১০০ কোটির ক্লাবে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App