১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার
ফ্লাইটটি পরিচালনাকারীদের তালিকা চেয়ে চিঠি পুলিশের
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
প্রায় ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিমানের ফ্লাইটটির পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের তালিকা চেয়েছে পুলিশ। একইসঙ্গে ফ্লাইট সরজমিনে পরিদর্শনের অনুমতিও চাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেয়া হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) শরিফ হোসেন বলেন, বিমানের ফ্লাইট থেকে ৮ কেজি ৭০০ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধারের মামলার তদন্তের জন্য সোমবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও বরাবর আনুষ্ঠানিক চিঠি দেয়া হয়েছে। ওই ফ্লাইটটি সরজমিনে পরিদর্শন করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, সংশ্লিষ্ট ফ্লাইটির পরিচালনার দায়িত্বে কারা ছিলেন, তাদের তালিকা চেয়েছি। ইঞ্জিনিয়ার সেকশন, ক্লিনার সেকশন, কেবিন ক্রু এবং পাইলট সবরাই তালিকা চাওয়া হয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে সবার সঙ্গেই আমরা কথা বলবো। শরিফ হোসেন বলেন, আলোচিত এ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে সর্বোচ্চ তৎপরতা চালানো হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এ এয়ারলাইন্সকে ব্যবহার করে কারা স্বর্ণ চোরাচালান করছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যে প্রক্রিয়ায় স্বর্ণগুলো আনা হয়েছে তাতে ভেতরের লোক জড়িত রয়েছে বলে আমরা সন্দেহ করি। তবে এখনো যেহেতু বিষয়টি তদন্তের মধ্যে রয়েছে সবকিছু খোলাসা না হওয়া পর্যন্ত কারো নাম বলা উচিত হবে না। তিনি বলেন, আমরা তালিকা পাওয়া মাত্রই জিজ্ঞাসাবাদের কার্যক্রম শুরু করবো। আশা করছি, দ্রুতই তারা এগুলো আমাদের কাছে সরবরাহ করবেন।
গত ২ জুলাই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট থেকে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিমানটির কার্গো হোল্ড থেকে ১৮ কেজি ৭০০ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের ডিজিএফআই, এভিয়েশন সিকিউরিটি, কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিরাপত্তা বিভাগ যৌথ অভিযান চালায়।
অভিযানের প্রাথমিক তল্লাশিতে বিমান থেকে আনুমানিক ১৫ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। পরে বিস্তারিত তল্লাশিতে মোট ১৮ কেজি ৭০০ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। এঘটনায় বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা হয়েছে অজ্ঞাত আসামি করে।
