×

যুক্তরাষ্ট্র

লিমন-বৃষ্টি হত্যার নেপথ্যে কী কারণ, জানালেন এফবিআই এজেন্ট

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম

লিমন-বৃষ্টি হত্যার নেপথ্যে কী কারণ, জানালেন এফবিআই এজেন্ট

ছবি : সংগৃহীত

গত শুক্রবার সকালে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের মরদেহ হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড সেতুতে পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় তার রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়েহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে অন্য শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ এখনো উদ্ধার হয়নি। ঘটনাস্থল ও সন্দেহভাজনের বাসা থেকে উদ্ধার করা রক্তের আলামতের ভিত্তিতে পুলিশ ধারণা করেছে তিনিও নিহত হয়ে থাকতে পারেন।

এফবিআইয়ের সাবেক বিশেষ এজেন্ট এবং ইউএসএফ সেন্টার ফর জাস্টিস রিসার্চ অ্যান্ড পলিসির সহপরিচালক ড. ব্রায়ানা ফক্স জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলজুড়ে প্রমাণ ছড়িয়ে থাকায় ধারণা করা হচ্ছে এটি পূর্বপরিকল্পিত নয়, বরং হঠাৎ রাগের কারণে এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে। খবর ফক্স১৩।

তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনায় যেখানে পরিচিত ব্যক্তিরা একে অপরকে আক্রমণ করে, সেখানে সাধারণত অর্থ, ঈর্ষা বা পারস্পরিক বিরোধই কারণ হয়ে থাকে। এটি হয়তো ক্ষণিকের রাগের ফল, এবং কারণটি খুবই সামান্য কিছু হতে পারে।

হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ চ্যাড ক্রোনিস্টার বলেন, এটি একটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক ঘটনা, যা আমাদের সমাজকে নাড়িয়ে দিয়েছে। জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমাদের তদন্ত কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করছেন এবং দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

শেরিফের দপ্তর জানিয়েছে, লিমনের মরদেহ উদ্ধারের আগেই হিশামকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শুক্রবার সকালে টাম্পার উত্তরে তার পরিবারের বাড়িতে পারিবারিক সহিংসতার ফোন পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। পুলিশ পৌঁছালে হিশাম ঘরের ভেতর নিজেকে অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং বের হতে অস্বীকৃতি জানান। পরে পুলিশ তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে সোয়াট টিমকে ডাকা হয়। দীর্ঘ উত্তেজনার পর হিশাম আত্মসমর্পণ করেন।

আরো পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্রে ২ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যা, রুমমেটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

আদালত ও শেরিফ অফিসের নথি অনুযায়ী, হিশাম আবুগারবিয়েহ ইউএসএফের সাবেক শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে পড়াশোনা করেন। তবে গ্রেপ্তারের সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না।

২০২৩ সালের মে ও সেপ্টেম্বর মাসে তার বিরুদ্ধে শারীরিক আঘাত এবং একটি জনশূন্য বাড়িতে চুরির অভিযোগ আনা হয়েছিল। যদিও তখন এসব অভিযোগ তুলনামূলকভাবে লঘু অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।

হিলসবোরো কাউন্টি আদালতের নথিতে আরো দেখা যায়, পারিবারিক সহিংসতার কারণে তার বিরুদ্ধে পরিবারের এক সদস্য দুটি ‘ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স ইনজাংশন’ বা সুরক্ষা আদেশের আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে একটি আদালত মঞ্জুর করেছিল। এছাড়া তার বিরুদ্ধে একাধিক ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগও রয়েছে।

জামিল লিমন ছিলেন ভূগোল, পরিবেশ বিজ্ঞান ও নীতি বিভাগের ডক্টরাল শিক্ষার্থী। অন্যদিকে নাহিদা বৃষ্টি রাসায়নিক প্রকৌশলে অধ্যয়নরত ছিলেন। তাদের দুজনকে সর্বশেষ ১৬ এপ্রিল একসঙ্গে দেখা যায়। পরদিন একজন পারিবারিক বন্ধু নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পুলিশকে জানায়।

নাহিদা বৃষ্টির সন্ধানে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের মেরিন ও ডাইভ দল হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড সেতুর আশপাশের পানিতে তল্লাশি চালাচ্ছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

নেপাল সেনাবাহিনীর জেনারেল হলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান

নেপাল সেনাবাহিনীর জেনারেল হলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান

‘অন্তর্বর্তী সরকার কয়েকজন তরুণকে ক্ষমতায়ন করলেও বৃহত্তর অংশকে বাইরে রেখেছে’

‘অন্তর্বর্তী সরকার কয়েকজন তরুণকে ক্ষমতায়ন করলেও বৃহত্তর অংশকে বাইরে রেখেছে’

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে রিট খারিজ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে রিট খারিজ

শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নজরদারিতে মাউশির কমিটি

শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নজরদারিতে মাউশির কমিটি

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App