×

আবহাওয়া

আবারো বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৫:৩৫ পিএম

আবারো বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে আবারো ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। আমেরিকার গ্লোবাল ফোরকাস্ট সিস্টেম (জিএফএস) আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেল বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানিয়েছে।

রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে মোস্তফা কামাল পলাশ উল্লেখ করেন,আমেরিকার গ্লোবাল ফোরকাস্ট সিস্টেমের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী অক্টোবর মাসের ১৫ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, অক্টোবর মাসের এই সময়ে পূর্বেও ঘূর্ণিঝড় দেখা গিয়েছিল। ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ এবং ২০২৩ সালের অক্টোবরে ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ সৃষ্টি হয়েছিল। এই দুটি ঘূর্ণিঝড়ই সরাসরি বাংলাদেশের খুলনা ও বরিশাল উপকূলে আঘাত হেনেছিল।

গবেষক পলাশের মতে, ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। এটি নির্দিষ্টভাবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এ ধরনের ঘূর্ণিঝড় যেকোনো সময়ে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

২০২২ সালের ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ ও ২০২৩ সালের ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ উভয়ই বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানে। এসব ঝড়ের কারণে ওই অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সিত্রাং ও হামুনের প্রভাবে ঘরবাড়ি, ফসল, এবং মৎস্য খামারের ব্যাপক ক্ষতি হয়, পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

পলাশ উল্লেখ করেন যে, ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুমে সাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হলে সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্য উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে আগাম সতর্কতা ও প্রস্তুতি নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। আবহাওয়ার পূর্বাভাস মডেলের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পূর্বে এমন ঘূর্ণিঝড়ের সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব হয়েছে। তাই তিনি এই সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে বলেছেন।

তিনি আরো বলেন, আবহাওয়ার পূর্বাভাস নির্ভরযোগ্য হলেও আবহাওয়ার আচরণ কখনো কখনো অপ্রত্যাশিত হতে পারে। তাই ৫ অক্টোবরের পর আরো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা থাকায় বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর আগাম প্রস্তুতির ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এসময় উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা এবং মাছ ধরার নৌকাগুলোকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার জন্য জেলেদের সতর্ক করতে হবে। একই সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য আঘাত মোকাবিলার জন্য উপকূলীয় জনগণকে সচেতন করে তুলতে হবে।

আরো পড়ুন: তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

আবহাওয়াবিদরা পরামর্শ দিচ্ছেন, উপকূলীয় অঞ্চলে যারা বসবাস করেন, তাদেরকে যেকোনো ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এক্ষেত্রে পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে উপকূলীয় এলাকায় দ্রুতগতিতে সাড়া দেয়ার সক্ষমতা গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

‘এনসিপির কমিটিতে ছাগলচোর ও ল্যাপটপ চোর’

রাশেদ খাঁন ‘এনসিপির কমিটিতে ছাগলচোর ও ল্যাপটপ চোর’

হাসপাতালে ভূমিমন্ত্রী মিনুকে দেখতে গেলেন মির্জা আব্বাস

হাসপাতালে ভূমিমন্ত্রী মিনুকে দেখতে গেলেন মির্জা আব্বাস

ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছেই, ২৪ ঘণ্টায় ৩ মৃত্যু

ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছেই, ২৪ ঘণ্টায় ৩ মৃত্যু

গাজীপুরে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ

গাজীপুরে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App