ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’
শ্রীলঙ্কায় ৫৬ জনের মৃত্যু, বাংলাদেশ উপকূলে হুঁশিয়ারি সংকেত
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১২:৫২ পিএম
ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে শ্রীলঙ্কায় কমপক্ষে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত
শ্রীলঙ্কা উপকূল ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপ থেকে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ আরো উত্তর–উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে শ্রীলঙ্কায় কমপক্ষে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২১ জন নিখোঁজ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশের চারটি সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রাকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১,৮৮০ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১,৮৩০ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ১,৭৫০ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১,৭৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আরো পড়ুন : বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ, সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা
ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ আরো উত্তর–উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে বলে জানায় অধিদপ্তর। কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরো জানায়, বঙ্গোপসাগরে থাকা মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে গভীর সাগরে না যেতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। সব নৌযানকে উপকূলের কাছাকাছি নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকালে শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ তাণ্ডব চালায় ঘূর্ণিঝড়টি। দেশটির আবহাওয়া দপ্তর জানায়, ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাব এখনো অব্যাহত রয়েছে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে ৩০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
