×

জাতীয়

সিনহা হত্যা মামলার রায় পড়া শুরু

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারি ২০২২, ০২:৩২ পিএম

সিনহা হত্যা মামলার রায় পড়া শুরু

সোমবার দুপুরে ওসি প্রদীপসহ ১৫ আসামিকে আদালতে আনা হয়

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার ৩০০ পৃষ্ঠার রায়ের সারসংক্ষেপ পড়া শুরু হয়েছে। ওসি প্রদীপ ১৫ আসামিকে ইতোমধ্যে কাঠগড়ায় আনা হয়েছে।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন,  মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ড ছিলো পূর্বপরিকল্পিত।

আজ সোমবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটায়  রায় পড়া শুরু করেন কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল।

এর আগে আলোচিত এই হত্যা মামলার ১৫ আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে তোলা হয়।

এ মামলায় ১৫ আসামি হলেন- টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলী, ওসি প্রদীপের দেহরক্ষী রুবেল শর্মা, বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিত, বরখাস্ত কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, বরখাস্ত কনস্টেবল সাগর দেব, বরখাস্ত এপিবিএনের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহজাহান, বরখাস্ত কনস্টেবল মো. রাজীব ও মো. আবদুল্লাহ, টেকনাফ থানায় পুলিশের করা মামলার সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ রোডের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি (টেকনাফ থানায় দুটি, রামু থানায় একটি) মামলা দায়ের করে।

২০২০ সালের ৫ আগস্ট ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকতসহ মামলার আসামি সাত পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তদন্তের পর হত্যার ঘটনায় স্থানীয় তিন গ্রামবাসী, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্য, ওসি প্রদীপের দেহরক্ষীসহ আরও সাতজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এরপর ২০২০ সালের ২৪ জুন চার্জশিটভুক্ত আসামি কনস্টেবল সাগর দেব আত্মসমর্পণ করলে এ মামলার ১৫ আসামিই আইনের আওতায় আসেন।

ঘটনার ৫ দিন পর ৫ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে টেকনাফ থানার বহিষ্কৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এ চারটি মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় র‍্যাব।

পরে ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও র‍্যাব-১৫ কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মো. খাইরুল ইসলাম। অভিযোগপত্রে সিনহা হত্যাকাণ্ডকে একটি ‘পরিকল্পিত ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করে ৮৩ জনকে সাক্ষী করা হয়।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

‘ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা আসবে’ বলে মাইকিং, দুইজন গ্রেপ্তার

‘ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা আসবে’ বলে মাইকিং, দুইজন গ্রেপ্তার

‘ব্যক্তি স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করা যাবে না’

‘ব্যক্তি স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করা যাবে না’

তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি

তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি

‘রুমিন ফারহানা আপারা মৌসুমি রাজনীতি করেন’

‘রুমিন ফারহানা আপারা মৌসুমি রাজনীতি করেন’

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App