এবার শাহবাগ অবরোধ ইন্টার্ন চিকিৎসকদের
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৩, ০৫:৫০ পিএম
ছবি: ভোরের কাগজ
বিএসএমএমইউ ও বিসিপিএস এর অধীভুক্ত পোস্টগ্র্যাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা ২০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করার দাবিতে কর্মবিরতি ও গণঅনশন কর্মসূচি পরে এবার শাহবাগে সড়ক অবরোধ করেছেন দেশের বেসরকারি পোস্টগ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকরা।
রবিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা শাহবাগ মোড়ে যেতে চাইলে পুলিশি বাধার মুখে পড়লে তারা শাহবাগ থেকে কাটাবন অভিমুখের সড়ক অবরুদ্ধ করে রাখেন।এসময় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারী ডাক্তারদের হাতাহাতি হয়। এতে কয়েকজন চিকিৎসক আহত হন। দুপুরে শুরু হওয়া চিকিৎসকদের সড়ক অবরোধ বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত চলমান আছে।
আন্দোলনরত পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি চিকিৎসকদের দাবি- যতক্ষণ পর্যন্ত চিকিৎসকদের দাবি আদায় না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত সড়ক ছাড়বেন না তারা।
আন্দোলনকারী ডা. তোফায়েল হোসেন বলেন, আমরা পিজির বটতলা থেকে শাহবাগে পূর্বনির্ধারিত অবস্থান কর্মসূচিতে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয় ও আমাদের উপর চড়াও হয়। তারা পিজির সব গেইট বন্ধ করে অবস্থান নেয়। তবে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে ৩ নং গেট থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ আমাদের মারধর করেন। আমাদের বেশ কিছু চিকিৎসক সেখানে আহত হন। পরে আমরা ৫ নং গেট দিয়ে বের হয়ে শাহবাগে যেতে চাইলে ফের পুলিশ আমাদের ওপর আক্রমাণত্মক হয়। আমাদের নারী সহকার্মীদের ওপরও আঘাত করেছে তারা।
অপর এক আন্দোলনকারী চিকিৎসক ডা. ফুয়াদ আল হাসান বলেন, আমাদের যৌক্তিক দাবিতে পুলিশি বাধা দেয়া অন্তত গর্হিত কাজ। আমরা তো এমনিতেই রাস্তায় নেমে আন্দোলনে আসিনি। আমাদের অধিকার আদায়ের জন্য নেমেছি। আমাদের দাবি মেনে নিলে আমরা রোগীদের চিকিৎসায় ফিরে যাবো।
উল্লেখ্য, ভাতা বাড়ানোর দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ও বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) অধীন পোস্টগ্র্যাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি চিকিৎসকরা। গত ৮ জুলাই বেলা ১১টা থেকে এ কর্মবিরতি শুরু করেন তারা।
গত ১০ জুলাই পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি চিকিৎসকদের একটি প্রতিনিধিদল তাদের দাবির পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যান। সেখান থেকে ফিরে তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর ভরসা রেখে তাদের মঙ্গলবারের পূর্ব ঘোষিত শাহবাগের অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করেন। কিন্তু তাদের দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তেমন কোনো সাড়া না পাওয়ায় শনিবার আবারও তারা আন্দোলনে নামেন; যা আজও অব্যাহত ছিল।
