যে কারণে বিয়ে ভেঙে যায় অভিষেক-কারিশমার
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় দুই পরিবার বচ্চন ও কাপুর। অভিষেক বচ্চন ও কারিশমা কাপুরের সম্পর্কের মাধ্যমে এক ছাদের নিচে দুই পরিবারের মেলবন্ধন ঘটতে যাচ্ছিল। তবে ২০০৩ হুট করেই ভেঙে যায় বলিউডের সবচেয়ে আলোচিত এই জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ে।
এত বছর পার হয়ে গেলেও এই দুই তারকয়ার বিয়ে নিয়ে ভক্তদের মনে প্রশ্ন, সব ঠিকঠাক থাকলেও কেনো ভেঙ্গে গিয়েছিলো অভিষেক-কারিশমার বিয়ে? সম্প্রতি তাদের বিয়ের স্মৃতি ও পিছনের অতীতে নিয়ে প্রখ্যাত হিন্দি চলচ্চিত্র নির্মাতা সুনিল দর্শন বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ।
অভিষেক ও কারিশমার বাগদান ভেঙে যাওয়ার সেই সংকটময় মূহুর্তের স্বাক্ষী ছিলেন এই হিন্দি চলচ্চিত্র নির্মাতা। জনপ্রিয় ডিজিটাল মিডিয়া ও ইউটিউব চ্যানেলে আয়োজিত ‘হিন্দি রাশ’-এর সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সে সময়ের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন। সুনিলের মতে, এই বিচ্ছেদ আসলে পরিস্থিতির শিকার এবং এর জন্য এককভাবে কাউকে দায়ী করা যায় না।
আরো পড়ুন: আমির খানকে হত্যার হুমকি, তদন্তে মুম্বাই পুলিশ
২০০১ সালে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্র প্রেম 'বন্ড অফ লাভ'-এর শুটিং শুরু হওয়ার আগে থেকেই শুরু হয়েছিল অভিষেক-কারিশমার প্রেম। ধীরে ধীরে তাদের প্রেম আরো গভীর হয়ে যায়। 'হাঁ ম্যায়নে ভি প্যায়ার কিয়া হ্যায়' ছবির সময় বিয়ের কথা ভাবেন এই দুই তারকা। অমিতাভ বচ্চনের ছেলে এবং রাজ কাপুরের নাতনি, একদম আদর্শ জুটি ছিল তাদের।’
সুনিল দর্শনের ভাষ্য, ‘সেদিন আমি সেখানে ছিলাম। সেদিন এমন কিছুই হয়নি যে বিয়ে ভেঙে যাবে। এরপরেই কারিশমা নববর্ষ উদযাপনের জন্য ব্যাংককে গিয়েছিলেন, এবং হঠাৎ শুনলাম যে তিনি সঞ্জয়ের সঙ্গে বিয়ে করতে যাচ্ছেন। কিন্তু কেন হটাত বিয়ে করলেন বুঝতেই পারিনি। এই বিয়ে ভাঙার জন্য কেউ দায়ি নয়। মানুষ বাবিতা জি, জয়া জি, কারিশমা অথবা অভিষেককে দায়ি মনে করে, তবে আমি মনে করি যে এই বিষয়গুলোকে ভাগ্যর ওপর ছেড়ে দিতে হবে। প্রেম বিভিন্ন মানুষের জন্য বিভিন্নভাবে হয়, এবং প্রত্যেক সম্পর্কের ডাইনামিক আলাদা হয়।’
উল্লেখ্য, ২০০২ সালে মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চনের ৬০তম জন্মদিনে ধুমধাম করে অভিষেক ও কারিশমার বাগদানের খবর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু জাঁকজমকপূর্ণ সেই বাগদানের মাত্র কয়েক মাসের মাথায়, ২০০৩ সালের শুরুতেই আকস্মিকভাবে বিচ্ছেদ ঘটে তাদের। তবে দীর্ঘ সময়েও দুই পরিবারের কোনো পক্ষই এই বিয়ে ভাঙার আসল কারণ নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেনি।
