ককটেল বিস্ফোরণ-বাসে আগুন দেয়া নিয়ে যা জানালেন ডিএমপির ডিসি
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক ককটেল বিস্ফোরণ ও গণপরিবহনে আগুন দেওয়ার মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে একটি গোষ্ঠী নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন।
রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সাম্প্রতিক সময়ে ককটেল বিস্ফোরণ ও গণপরিবহনে আগুন দেওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে আকতার হোসেন বলেন, প্রতিটি ঘটনা পুলিশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছে। এসব ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরাও রয়েছেন।
তিনি বলেন, ঘটনাগুলো পর্যালোচনা করে মনে হচ্ছে, একটি গোষ্ঠী নাশকতা চালানো এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসব কর্মকাণ্ড করছে। বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও অব্যাহত রয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তদন্তের সঙ্গে সমন্বয় করে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পুলিশের অভিযান ও অন্যান্য কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
আরও পড়ুন: মাওলানা ফারুকী হত্যা মামলায় ৬ আসামির বিচার শুরু
ডিএমপির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ডিএমপির বিভিন্ন মোবাইল টিম, পিকেট ডিউটি ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
ককটেল তৈরির উপাদান কোথায় প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং কারা এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত—এমন প্রশ্নের জবাবে আকতার হোসেন বলেন, এর আগেও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করেছে এবং বিস্ফোরক পদার্থ উদ্ধার করেছে। এ বিষয়ে পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দাহ্য পদার্থ সংগ্রহ এবং পেট্রোল পাম্প মালিকদের সতর্ক করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিভিন্ন পদার্থ নানা প্রয়োজনে ব্যবহার করা হতে পারে। তবে নাশকতার উদ্দেশ্যে কোথাও এসব পদার্থ কেনাবেচা হচ্ছে কি না, তা নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে বিভিন্ন ঘটনা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। কারা নাশকতার উদ্দেশ্যে দাহ্য পদার্থ সংগ্রহ করছে, তা শনাক্ত করতে ডিএমপির পক্ষ থেকে কার্যক্রম চলছে।
