মিরাজ
রাজনৈতিক কারণে বিশ্বকাপ খেলতে পারিনি
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলেছেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণেই বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি। বিষয়টি ক্রিকেটারদের পাশাপাশি দেশের সমর্থকদের জন্যও হতাশাজনক ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ভারতীয় ক্রীড়া বিষয়ক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম রেভস্পোর্টজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিরাজ এ মন্তব্য করেন। বর্তমানে তিনি শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) খেলছেন।
মিরাজ বলেন, “আমি মনে করি, এটি একটি রাজনৈতিক বিষয় ছিল। এর বাইরে আমার বলার মতো তেমন কিছু নেই। প্রত্যেক ক্রিকেটারেরই বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন থাকে। আমাদের অনেক তরুণ ক্রিকেটারও সেই সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। কী ঘটেছিল, তা সবাই জানে।”
নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে বাংলাদেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় দলকে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়নি। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই ভারতে হওয়ার কথা ছিল এর মধ্যে তিনটি কলকাতায় এবং একটি মুম্বাইয়ে।
আরও পড়ুন: ৮ সপ্তাহের জন্য ছিটকে গেলেন নাহিদ রানা
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে ম্যাচগুলোর ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ জানালেও আইসিসি তা গ্রহণ করেনি। সংস্থাটি স্বাধীনভাবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে বাংলাদেশ দলের জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য নিরাপত্তা ঝুঁকি খুঁজে পায়নি বলে জানায়।
পরবর্তীতে আইসিসির বোর্ড সভায় ভেন্যু পরিবর্তনের প্রস্তাব ভোটে তোলা হলে সেটিও প্রত্যাখ্যাত হয়। বিসিবির দাবি অনুযায়ী, ১৬ সদস্যের মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়া মাত্র একটি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়, আর বাকি ১৪টি দেশ এর বিপক্ষে অবস্থান নেয়।
বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করায় টুর্নামেন্টে তাদের পরিবর্তে সুযোগ পায় স্কটল্যান্ড।
আরও পড়ুন: ভারতের বাংলাদেশ সফরের ওপর ঝুলছে আফগানিস্তান সিরিজের সূচি
এর আগে আরেকটি বিতর্ক তৈরি হয় বাংলাদেশ জাতীয় দলের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে। আইপিএলের মেগা নিলামে তাকে দলে নেওয়ার পরও কলকাতা নাইট রাইডার্স ছেড়ে দেয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশনার পরই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষই এমন নির্দেশনার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
পরে বিসিবি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে হাইব্রিড মডেলে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তাব দেয়। তবে আইসিসির স্বাধীন নিরাপত্তা মূল্যায়নে ভারতে বাংলাদেশ দলের জন্য নির্ভরযোগ্য কোনো নিরাপত্তা হুমকি না পাওয়ায় সেই প্রস্তাবও গ্রহণ করা হয়নি।
