×

ঢাকা

গোপালগঞ্জে বিজিবি মোতায়েন

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৩ পিএম

গোপালগঞ্জে বিজিবি মোতায়েন

ছবি: সংগৃহীত

বিগত বছরের ১৬ জুলাইয়ের সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ বছর গোপালগঞ্জে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করেছে জেলা প্রশাসন।

বুধবার (১৫ জুলাই)  সকাল থেকে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। 

একই দিনে সকাল থেকে বিজিবির সদস্যরা শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় টহল শুরু করেছেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।এছাড়া শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরাও নজরদারি চালাচ্ছেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাব-৬-এর ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের সদস্যরা, পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা জেলা, উপজেলা ও গ্রামীণ এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে টহল অব্যাহত রেখেছেন।

জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান বলেন, ‘বিগত বছরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়টি মাথায় রেখে জেলা জুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এবছর কেউ যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। আশা করছি, কোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনা ছাড়াই পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে।’

২০২৫ সালের ১৬ জুলাই জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গোপালগঞ্জ পৌর পার্কে পথসভা শেষে ফেরার পথে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় হামলাকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলে। এতে সভাস্থল থেকে শহরের বাজার এলাকা হয়ে পাচুড়িয়া পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গুলি চালালে পাঁচজন নিহত হন এবং সাংবাদিক, পুলিশ সদস্যসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হন।

নিহতরা হলেন- জেলা শহরের উদয়ন রোড এলাকার সন্তোষ সাহার ছেলে দীপ্ত সাহা, থানাপাড়া এলাকার কামরুল কাজীর ছেলে রমজান কাজী, সদর উপজেলার আড়পাড়া এলাকার আজাদ তালুকদারের ছেলে ইমন তালুকদার, বেদগ্রামের রমজান মুন্সী এবং সোহেল রানা।

সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষুব্ধ জনতা জেলা কারাগারের প্রধান ফটকে হামলা ও ভাঙচুরের চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা তা প্রতিহত করেন। অপরদিকে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় নেন। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় তাদের বাগেরহাটের প্রবেশদ্বার মোল্লারহাট সেতু পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া হয়। এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জেলাজুড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেন। পরবর্তীতে ১৬ জুলাই রাত ৮টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত কারফিউও ঘোষণা করা হয়। 

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

বড় ধরনের ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র, যেসব কারণ নেপথ্যে

বড় ধরনের ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র, যেসব কারণ নেপথ্যে

ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ভিডিও ভাইরাল, অতঃপর যা বললেন ওসি

ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ভিডিও ভাইরাল, অতঃপর যা বললেন ওসি

সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড: ২ বাংলাদেশির বিষয়ে ‘গোপনীয়’ নথিতে যা আছে

সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড: ২ বাংলাদেশির বিষয়ে ‘গোপনীয়’ নথিতে যা আছে

সরকার ইচ্ছা করে আওয়ামী লীগকে ঢোকার পথ করে দিচ্ছে

মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকার ইচ্ছা করে আওয়ামী লীগকে ঢোকার পথ করে দিচ্ছে

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App