একনেক সভায় ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:২১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
প্রায় ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ের আটটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত প্রকল্প।
বুধবার (২২ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন একনেকের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় জানায়, অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ব্যয় হবে ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ থেকে আসবে ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের তিনটি প্রকল্প রয়েছে। এগুলো হলো, সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২ (প্রথম সংশোধন), বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প এবং পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প।
এ ছাড়া অনুমোদন পেয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প (তৃতীয় সংশোধন), সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প (দ্বিতীয় সংশোধন) এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিলেট বিভাগের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প (তৃতীয় সংশোধন)।
আরো পড়ুন : সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের, বাংলাদেশের অবস্থান কত?
জ্বালানি খাতে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের আওতায় বেগমগঞ্জ-৫ মূল্যায়ন কূপ এবং বেগমগঞ্জ-৬ ও সুনেত্র-২ অনুসন্ধান কূপ খননের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোর বিদ্যমান কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। একই সঙ্গে জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে ১০ শয্যার নতুন কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন করা হবে।
সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের আগে অনুমোদিত ১১টি প্রকল্প সম্পর্কেও একনেককে অবহিত করেন। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক অফিস স্থাপন, বরিশাল টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপন, বিভিন্ন মহাসড়ক উন্নয়ন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ সঞ্চালন অবকাঠামো উন্নয়ন, পূর্বাঞ্চলীয় বিদ্যুৎ গ্রিড সম্প্রসারণ এবং বিটাকের নতুন কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ।
